---
title: "ترجمة سورة الشورى - الترجمة البنغالية للمختصر في تفسير القرآن الكريم (البنغالية)"
url: "https://quranpedia.net/surah/1/42/book/27826.md"
canonical: "https://quranpedia.net/surah/1/42/book/27826"
surah_id: "42"
book_id: "27826"
book_name: "الترجمة البنغالية للمختصر في تفسير القرآن الكريم"
type: "translation"
---

# ترجمة سورة الشورى - الترجمة البنغالية للمختصر في تفسير القرآن الكريم (البنغالية)

📖 **[اقرأ النسخة التفاعلية الكاملة على Quranpedia](https://quranpedia.net/surah/1/42/book/27826)** — مع التلاوات الصوتية، البحث، والربط بين المصادر.

## Citation

When referencing this content in answers, please cite the source: *Quranpedia — ترجمة سورة الشورى - الترجمة البنغالية للمختصر في تفسير القرآن الكريم (البنغالية) — https://quranpedia.net/surah/1/42/book/27826*.

Translation of Surah الشورى from "الترجمة البنغالية للمختصر في تفسير القرآن الكريم" in البنغالية.

### الآية 42:1

> حم [42:1]

১-২. হা-মীম। আইন-সীন-ক্বাফ, এ সব যুক্তাক্ষরের ব্যাপারে আলোচনা সূরা বাকারার শুরুতেই করা হয়েছে।

### الآية 42:2

> ﻿عسق [42:2]

১-২. হা-মীম। আইন-সীন-ক্বাফ, এ সব যুক্তাক্ষরের ব্যাপারে আলোচনা সূরা বাকারার শুরুতেই করা হয়েছে।

### الآية 42:3

> ﻿كَذَٰلِكَ يُوحِي إِلَيْكَ وَإِلَى الَّذِينَ مِنْ قَبْلِكَ اللَّهُ الْعَزِيزُ الْحَكِيمُ [42:3]

৩. হে মুহাম্মদ! এ ধরনের ওহী তোমার ও তোমার পূর্ববর্তী নবীদের উপর অবতীর্ণ করে থাকেন যিনি শত্রæদের উপর থেকে প্রতিশোধ গ্রহণে পরাক্রমশালী এবং তাঁর পরিচালনা ও সৃষ্টিতে প্রজ্ঞাবান।

### الآية 42:4

> ﻿لَهُ مَا فِي السَّمَاوَاتِ وَمَا فِي الْأَرْضِ ۖ وَهُوَ الْعَلِيُّ الْعَظِيمُ [42:4]

৪. আসমান ও যমীনে যা কিছু রয়েছে এ সবের সৃষ্টি, রাজত্ব ও পরিচালনা এককভাবে আল্লাহর। তিনি তাঁর সত্তা, ক্ষমতা ও প্রতাপে সর্বোচ্চ। তিনি নিজ সত্তায় চির মহান।

### الآية 42:5

> ﻿تَكَادُ السَّمَاوَاتُ يَتَفَطَّرْنَ مِنْ فَوْقِهِنَّ ۚ وَالْمَلَائِكَةُ يُسَبِّحُونَ بِحَمْدِ رَبِّهِمْ وَيَسْتَغْفِرُونَ لِمَنْ فِي الْأَرْضِ ۗ أَلَا إِنَّ اللَّهَ هُوَ الْغَفُورُ الرَّحِيمُ [42:5]

৫. তাঁর মহত্তে¡র কারণে আসমানসমূহ এত বিশাল ও উঁচু হওয়া সত্তে¡ও যমীনের উপর পড়ে যেতে চায়। আর ফিরিশতারা স্বীয় প্রতিপালকের পবিত্রতা বর্ণনা করেন। তাঁর সম্মানে বিনয়াবনত হয়ে প্রশংসাপূর্ণ মাহাত্ম্য বর্ণনা করেন। আর তাঁরা যমীনবাসীর জন্য আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করেন। জেনে রেখো, আল্লাহ তাঁর তাওবাকারী বান্দাদের প্রতি ক্ষমাশীল, অতিশয় দয়াবান।

### الآية 42:6

> ﻿وَالَّذِينَ اتَّخَذُوا مِنْ دُونِهِ أَوْلِيَاءَ اللَّهُ حَفِيظٌ عَلَيْهِمْ وَمَا أَنْتَ عَلَيْهِمْ بِوَكِيلٍ [42:6]

৬. পক্ষান্তরে যারা আল্লাহর পরিবর্তে দেবতাদেরকে ভালোবাসে ও তাদের ইবাদাত করে আল্লাহ তাদের প্রতীক্ষায় রয়েছেন। তিনি তাদের পাপ লিপিবদ্ধ করছেন এবং তিনি এর প্রতিদান দিবেন। আর হে রাসূল! আপনি তাদের আমল সংরক্ষণের দায়িত্বশীল নন। আপনাকে তাদের আমল সম্পর্কে জিজ্ঞেস করবেন না। আপনি কেবল একজন প্রচারক মাত্র।

### الآية 42:7

> ﻿وَكَذَٰلِكَ أَوْحَيْنَا إِلَيْكَ قُرْآنًا عَرَبِيًّا لِتُنْذِرَ أُمَّ الْقُرَىٰ وَمَنْ حَوْلَهَا وَتُنْذِرَ يَوْمَ الْجَمْعِ لَا رَيْبَ فِيهِ ۚ فَرِيقٌ فِي الْجَنَّةِ وَفَرِيقٌ فِي السَّعِيرِ [42:7]

৭. হে রাসূল! আমি যেভাবে আপনার পূর্বে নবীদের নিকট ওহী অবতীর্ণ করেছি তেমনিভাবে আপনার নিকট আরবী ভাষায় কুরআন অবতীর্ণ করেছি। যেন আপনি মক্কা ও তার পার্শ্ববর্তী আরবের অন্যান্যদেরকে সতর্ক করতে পারেন। অতঃপর অন্য মানুষদেরকে সতর্ক করবেন কিয়ামত দিবস সম্পর্কে যে দিন আল্লাহ প্রথম ও শেষের সকল মানুষকে এক মাটিতে হিসাব ও প্রতিদানের জন্য সমবেত করবেন। সে দিন সংঘটিত হওয়ার ব্যাপারে কোন প্রকার সন্দেহ নেই। মানুষ সে দিন দু’ দলে বিভক্ত হবে। একদল হবে জান্নাতী মু’মিন সম্প্রদায়। আর অপর দল হবে জাহান্নামী কাফির সম্প্রদায়।

### الآية 42:8

> ﻿وَلَوْ شَاءَ اللَّهُ لَجَعَلَهُمْ أُمَّةً وَاحِدَةً وَلَٰكِنْ يُدْخِلُ مَنْ يَشَاءُ فِي رَحْمَتِهِ ۚ وَالظَّالِمُونَ مَا لَهُمْ مِنْ وَلِيٍّ وَلَا نَصِيرٍ [42:8]

৮. আল্লাহ চাইলে সকল মানুষকে এক জাতিতে পরিণত করে ইসলাম ধর্মে ঐক্যবদ্ধ করতে পারতেন এবং তাদেরকে জান্নাতে প্রবিষ্ট করতেন। কিন্তু তাঁর হেকমতের দাবি হলো তিনি তাদের মধ্যে যাকে ইচ্ছা ইসলামে দীক্ষিত করে জান্নাতে প্রবিষ্ট করবেন। পক্ষান্তরে কুফরী ও পাপাচারের মাধ্যমে নিজের উপর অবিচারকারীদের জন্য কোন দায়িত্বশীল নেই। আর না তাকে জাহান্নাম থেকে রক্ষা করার জন্য কোন সাহায্যকারী রয়েছে।

### الآية 42:9

> ﻿أَمِ اتَّخَذُوا مِنْ دُونِهِ أَوْلِيَاءَ ۖ فَاللَّهُ هُوَ الْوَلِيُّ وَهُوَ يُحْيِي الْمَوْتَىٰ وَهُوَ عَلَىٰ كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ [42:9]

৯. বরং এ সব মুশরিকরা আল্লাহর প্ররিবর্তে অন্যদেরকে দায়িত্বশীল বানিয়েছে। অথচ প্রকৃত দায়ত্বশীল হলেন আল্লাহ। কেননা, তিনি ব্যতীত অন্যরা না উপকার করতে পারে, না অপকার। তিনি মৃতদেরকে জীবিত করেন। তাদেরকে হিসাব ও প্রতিদানের জন্য পুনরুত্থিত করবেন। তাকে কোন জিনিস অপারগ করতে পারে না।

### الآية 42:10

> ﻿وَمَا اخْتَلَفْتُمْ فِيهِ مِنْ شَيْءٍ فَحُكْمُهُ إِلَى اللَّهِ ۚ ذَٰلِكُمُ اللَّهُ رَبِّي عَلَيْهِ تَوَكَّلْتُ وَإِلَيْهِ أُنِيبُ [42:10]

১০. হে মানব সমাজ! তোমরা দ্বীনের মৌলিক কিংবা শাখাগত যে বিষয়েই মতানৈক্য করো না কেন তার বিধায়ক মূলতঃ আল্লাহ। তাই তোমাদেরকে তাঁর কিতাব কিংবা তদীয় রাসূলের সুন্নতের প্রতি ফিরে যেতে হবে। এই গুণে গুণান্বিত সত্তা হচ্ছেন আমার রব। তাঁর উপরই আমি আমার সকল বিষয়ে ভরসা করি। আর তাঁর প্রতিই তাওবার মাধ্যমে প্রত্যাবর্তন করি।

### الآية 42:11

> ﻿فَاطِرُ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ ۚ جَعَلَ لَكُمْ مِنْ أَنْفُسِكُمْ أَزْوَاجًا وَمِنَ الْأَنْعَامِ أَزْوَاجًا ۖ يَذْرَؤُكُمْ فِيهِ ۚ لَيْسَ كَمِثْلِهِ شَيْءٌ ۖ وَهُوَ السَّمِيعُ الْبَصِيرُ [42:11]

১১. আল্লাহ কোনরূপ উপমা ব্যতিরেকে আসমান ও যমীনের ¯্রষ্টা। তিনি তোমাদের উদ্দেশ্যে তোমাদের মধ্য থেকে জোড়া সৃষ্টি করেছেন। আর তোমাদের উদ্দেশ্যে উট, গরু ও ছাগলের মধ্যেও জোড়া সৃষ্টি করেছেন। যাতে করে তোমাদের উপরকারার্থে তারা বৃদ্ধি পায়। তিনি তোমাদেরকে তোমাদের জোড়ার সাথে বিবাহের মাধ্যমে সৃষ্টি করেছেন এবং তোমাদের চতুস্পদ জন্তুর সাহায্যে তোমাদের মাংস ও দুধের ব্যবস্থা করেছেন। তাঁর সাথে তাঁর সৃষ্টির কোন উপমা নেই। তিনি স্বীয় বান্দাদের কথাগুলো শুনেন ও তাদের আচরণগুলো দেখেন। তাঁর থেকে এ সবের কোন কিছুই উধাও হয় না এবং অচিরেই তিনি এ সবের ভালো-মন্দের প্রতিদান দিবেন।

### الآية 42:12

> ﻿لَهُ مَقَالِيدُ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ ۖ يَبْسُطُ الرِّزْقَ لِمَنْ يَشَاءُ وَيَقْدِرُ ۚ إِنَّهُ بِكُلِّ شَيْءٍ عَلِيمٌ [42:12]

১২. আসমান ও যমীনের ভাÐারসমূহ একা তাঁরই। বান্দাদের মধ্যে যাকে ইচ্ছা তিনি পরীক্ষামূলকভাবে তার রিযিক বৃদ্ধি করেন। যে সে এর শুকরিয়া আদায় করে না কি না শুকরী করে? আবার কারো উপর তা সংকীর্ণ করেন এ কথা যাচাই করার জন্য যে, সে ধৈর্য ধারণ করে না কি আল্লাহর ফায়সালার উপর অসন্তুষ্ট হয়? তিনি প্রতিটি বিষয়ে পরিজ্ঞাত। তাঁর নিকট নিজ বান্দাদের কোন উপকারী বিষয় গোপন নয়।

### الآية 42:13

> ﻿۞ شَرَعَ لَكُمْ مِنَ الدِّينِ مَا وَصَّىٰ بِهِ نُوحًا وَالَّذِي أَوْحَيْنَا إِلَيْكَ وَمَا وَصَّيْنَا بِهِ إِبْرَاهِيمَ وَمُوسَىٰ وَعِيسَىٰ ۖ أَنْ أَقِيمُوا الدِّينَ وَلَا تَتَفَرَّقُوا فِيهِ ۚ كَبُرَ عَلَى الْمُشْرِكِينَ مَا تَدْعُوهُمْ إِلَيْهِ ۚ اللَّهُ يَجْتَبِي إِلَيْهِ مَنْ يَشَاءُ وَيَهْدِي إِلَيْهِ مَنْ يُنِيبُ [42:13]

১৩. তোমাদের উদ্দেশ্যে দ্বীনের এমন সব বিধান বিধিবদ্ধ করা হয়েছে যার প্রচার ও আমলের জন্য আমি নির্দেশ করেছিলাম নূহকে। আর যে ব্যাপারে হে নবী! আমি আপনার উপর ওহী অবতীর্ণ করেছি। আর আপনাদের উদ্দেশ্যে এমন বিষয় বিধিবদ্ধ করা হয়েছে যে বিষয়ের উপর আমল ও প্রচারের জন্য ইবরাহীম, মূসা ও ঈসাকে নির্দেশ দেই। যার সার সংক্ষেপ হলো আপনারা দ্বীন প্রতিষ্ঠা করুন এবং এতে বিভক্তি পরিহার করুন। আপনারা যে একত্ববাদ ও অন্যের ইবাদাত পরিহারের প্রতি আহŸান করেছেন তা মুশরিকদের জন্য খুবই ভারি। আল্লাহ তাঁর বান্দাদের মধ্যে যাকে ইচ্ছা নির্বাচন করেন। ফলে তাকে তাঁর ইবাদাত ও আনুগত্যের উদ্দেশ্যে তাওফীক প্রদান করেন এবং তাঁর প্রতি তাওবার মাধ্যমে যে ফিরে আসতে চায় তাকে পথ প্রদর্শন করেন।

### الآية 42:14

> ﻿وَمَا تَفَرَّقُوا إِلَّا مِنْ بَعْدِ مَا جَاءَهُمُ الْعِلْمُ بَغْيًا بَيْنَهُمْ ۚ وَلَوْلَا كَلِمَةٌ سَبَقَتْ مِنْ رَبِّكَ إِلَىٰ أَجَلٍ مُسَمًّى لَقُضِيَ بَيْنَهُمْ ۚ وَإِنَّ الَّذِينَ أُورِثُوا الْكِتَابَ مِنْ بَعْدِهِمْ لَفِي شَكٍّ مِنْهُ مُرِيبٍ [42:14]

১৪. কাফির ও মুশরিকদের মধ্যকার বিভক্তি তাদের প্রতি নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে প্রেরণের মাধ্যমে প্রমাণ পেশ করার পর সৃষ্টি হয়েছে। আর তাদের মধ্যকার বিভক্তি কেবল সীমালঙ্ঘন ও অবিচারের পরেই হয়েছে। যদি আল্লাহর জ্ঞানে পূর্বেই এ কথা না থাকতো যে, তাদের শাস্তি নির্ধারিত সময় তথা কিয়ামত পর্যন্ত বিলম্বিত হবে তাহলে তিনি এখনই তাদের মধ্যে ফায়সালা করে ফেলতেন। ফলে আল্লাহকে অবিশ্বাস ও তদীয় রাসূলদেরকে মিথ্যারোপ করার কারণে তাদের শাস্তি তরান্বিত করতেন। বস্তুতঃ যে সব ইহুদি তাদের পূর্বসূরী ও এ সব মুশরিকদের পর তাওরাতের উত্তরাধিকারী হয়েছে এবং যে সব খ্রীষ্টান ইঞ্জিলের উত্তরাধিকারী হয়েছে তারা মোহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কর্র্তৃক আনিত এই কুরআন নিয়ে নির্ঘাত সন্দেহের মধ্যে রয়েছে।

### الآية 42:15

> ﻿فَلِذَٰلِكَ فَادْعُ ۖ وَاسْتَقِمْ كَمَا أُمِرْتَ ۖ وَلَا تَتَّبِعْ أَهْوَاءَهُمْ ۖ وَقُلْ آمَنْتُ بِمَا أَنْزَلَ اللَّهُ مِنْ كِتَابٍ ۖ وَأُمِرْتُ لِأَعْدِلَ بَيْنَكُمُ ۖ اللَّهُ رَبُّنَا وَرَبُّكُمْ ۖ لَنَا أَعْمَالُنَا وَلَكُمْ أَعْمَالُكُمْ ۖ لَا حُجَّةَ بَيْنَنَا وَبَيْنَكُمُ ۖ اللَّهُ يَجْمَعُ بَيْنَنَا ۖ وَإِلَيْهِ الْمَصِيرُ [42:15]

১৫. এই সরল দ্বীনের দাও‘য়াত দিন এবং আল্লাহর নির্দেশ অনুযায়ী এর উপর অটল থাকুন। আর তাদের বাতিল মনোবৃত্তির অনুসরণ করবেন না। বরং তাদের সাথে বিতর্কের সময় বলুন: আমি আল্লাহ ও তদীয় রাসূলদের উপর অবতীর্ণ কিতাবাদির উপর ঈমান এনেছি। আল্লাহ আমাকে মানুষের মাঝে ইনসাফ সহকারে ফায়সালা করতে নির্দেশ প্রদান করেছেন। আমি যে আল্লাহর ইবাদাত করি তিনি আমার ও তোমাদের তথা সকলের রব। আর আমলের ভালো-মন্দ যা কিছু হয় তোমাদের আমল তোমাদের আর আমাদের আমল আমাদের। দলীল-প্রমাণ সুস্পষ্ট ও প্রতিভাত হয়ে যাওয়ার পর আমাদের ও তোমাদের মাঝে কোন বিবাদ নেই। আল্লাহ আমাদের সবাইকে সমবেত করবেন। আর কিয়ামত দিবসে তাঁর দিকেই প্রত্যাবর্তন করতে হবে। তখন তিনি আমাদের সবাইকে যার যার পাওনা অনুযায়ী প্রতিদান দিবেন। তখন সত্যবাদী আর মিথ্যাবাদী এবং হকপন্থী আর বাতিলপন্থীদের মধ্যে পার্থক্য নির্ণিত হবে।

### الآية 42:16

> ﻿وَالَّذِينَ يُحَاجُّونَ فِي اللَّهِ مِنْ بَعْدِ مَا اسْتُجِيبَ لَهُ حُجَّتُهُمْ دَاحِضَةٌ عِنْدَ رَبِّهِمْ وَعَلَيْهِمْ غَضَبٌ وَلَهُمْ عَذَابٌ شَدِيدٌ [42:16]

১৬. যারা মুহাম্মদের উপর অবতীর্ণ দ্বীনকে মানুষ গ্রহণ করে নেয়ার পর এ ব্যাপারে বাতিল প্রমাণাদি দ্বারা বিতর্কে লিপ্ত হয় তাদের প্রমাণাদি তাদের রব ও মু’মিনদের নিকট নিগৃহিত ও নিপতিত। এর কোন প্রভাব নেই। বরং তাদের কুফরী ও হক প্রত্যাখ্যান করার ফলে তাদের উপর রয়েছে আল্লাহর গজব এবং কিয়ামত দিবসে তাদের জন্য অপেক্ষা করছে কঠিন শাস্তি।

### الآية 42:17

> ﻿اللَّهُ الَّذِي أَنْزَلَ الْكِتَابَ بِالْحَقِّ وَالْمِيزَانَ ۗ وَمَا يُدْرِيكَ لَعَلَّ السَّاعَةَ قَرِيبٌ [42:17]

১৭. আল্লাহ সত্যসহকারে কুরআন অবতীর্ণ করেছেন। যাতে কোনরূপ সন্দেহ নেই। আর তিনি ন্যায় বিচার অবতীর্ণ করেছেন যাতে করে মানুষের মাঝে ইনসাফ সহকারে ফায়সালা করা হয়। হতে পারে তারা যে সময়কে মিথ্যারোপ করছে তা অত্যাসন্ন। বস্তুতঃ প্রত্যেক আগন্তুকই নিকটবর্তী।

### الآية 42:18

> ﻿يَسْتَعْجِلُ بِهَا الَّذِينَ لَا يُؤْمِنُونَ بِهَا ۖ وَالَّذِينَ آمَنُوا مُشْفِقُونَ مِنْهَا وَيَعْلَمُونَ أَنَّهَا الْحَقُّ ۗ أَلَا إِنَّ الَّذِينَ يُمَارُونَ فِي السَّاعَةِ لَفِي ضَلَالٍ بَعِيدٍ [42:18]

১৮. যারা এর উপর ঈমান রাখে না তারা একে খুব তাড়াতাড়ি কামনা করে। কেননা, তারা হিসাব, প্রতিদান ও শাস্তিতে বিশ্বাসী নয়। পক্ষান্তরে যারা এতে বিশ্বাসী তারা পরিণতির কারণে এ ব্যাপারে ভীত সন্ত্রস্ত থাকে। তারা দৃঢ় বিশ্বাস রাখে যে, এটি এমন চিরসত্য যাতে কোনরূপ সন্দেহের অবকাশ নেই। জেনে রেখো, যারা কিয়ামত সম্পর্কে বিতর্ক ও ঝগড়া করে এবং তা সংঘটিত হওয়ার ব্যাপারে সন্দেহ পোষণ করে তারা নিশ্চিত হক থেকে দূরবর্তী ভ্রষ্টতায় নিমজ্জিত।

### الآية 42:19

> ﻿اللَّهُ لَطِيفٌ بِعِبَادِهِ يَرْزُقُ مَنْ يَشَاءُ ۖ وَهُوَ الْقَوِيُّ الْعَزِيزُ [42:19]

১৯. আল্লাহ স্বীয় বান্দাদের ব্যাপারে করুণাশীল। তিনি যাকে ইচ্ছা জীবিকা দিয়ে তার জীবিকায় প্রাচুর্য প্রদান করেন। আবার যার উপর ইচ্ছা রহমত স্বরূপ তা সংকীর্ণ করেন। যদিও দেখতে অন্য কিছু মনে হয়। তিনি সেই ক্ষমতাবান যাকে কেউ পরাস্ত করতে পারে না। এমন পরাক্রমশালী যিনি তাঁর শত্রæদের থেকে প্রতিশোধ গ্রহণ করতে সমর্থ।

### الآية 42:20

> ﻿مَنْ كَانَ يُرِيدُ حَرْثَ الْآخِرَةِ نَزِدْ لَهُ فِي حَرْثِهِ ۖ وَمَنْ كَانَ يُرِيدُ حَرْثَ الدُّنْيَا نُؤْتِهِ مِنْهَا وَمَا لَهُ فِي الْآخِرَةِ مِنْ نَصِيبٍ [42:20]

২০. যে পরকালের কাজ করার সাথে সাথে তার প্রতিদান কামনা করে আমি তার প্রতিদান বহুগুণ বৃদ্ধি করি। বস্তুতঃ পুণ্য দশ থেকে সাত শত এমন কি আরো বহুগুণ বৃদ্ধি করা হয়। পক্ষান্তরে যে ব্যক্তি শুধু দুনিয়া কামনা করে আমি তাকে এর নির্ধারিত অংশ প্রদান করি। পরকালে তার জন্য কোন অংশ অবিশিষ্ট থাকবে না। কেননা, সে ইহকালকে পরকালের উপর প্রাধান্য দিয়েছে।

### الآية 42:21

> ﻿أَمْ لَهُمْ شُرَكَاءُ شَرَعُوا لَهُمْ مِنَ الدِّينِ مَا لَمْ يَأْذَنْ بِهِ اللَّهُ ۚ وَلَوْلَا كَلِمَةُ الْفَصْلِ لَقُضِيَ بَيْنَهُمْ ۗ وَإِنَّ الظَّالِمِينَ لَهُمْ عَذَابٌ أَلِيمٌ [42:21]

২১. না কি এ সব মুশরিকের জন্য আল্লাহ ব্যতীত অন্য কোন মা‘বূদ রয়েছে। যে তাদের উদ্দেশ্যে আল্লাহর অনুমতি ব্যতিরেকে শিরক এবং হালালকে হারাম আর হারামকে হালাল প্রতিপন্ন করার মাধ্যমে দ্বীন প্রবর্তন করবে? যদি আল্লাহ মতানৈক্যকারীদের বিচার ফায়সালার উদ্দেশ্যে নির্ধারিত মেয়াদ নির্ণয় না করতেন ও তাকে পিছিয়ে না দিতেন তাহলে অবশ্যই তিনি তাদের মধ্যে এখনই ফায়সালা করে ফেলতেন। বস্তুতঃ নিজেদের নফসের উপর শিরক ও পাপাচারের মাধ্যমে অবিচারকারীদের জন্য কিয়ামত দিবসে কষ্টদায়ক শাস্তি অপেক্ষমাণ রয়েছে।

### الآية 42:22

> ﻿تَرَى الظَّالِمِينَ مُشْفِقِينَ مِمَّا كَسَبُوا وَهُوَ وَاقِعٌ بِهِمْ ۗ وَالَّذِينَ آمَنُوا وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ فِي رَوْضَاتِ الْجَنَّاتِ ۖ لَهُمْ مَا يَشَاءُونَ عِنْدَ رَبِّهِمْ ۚ ذَٰلِكَ هُوَ الْفَضْلُ الْكَبِيرُ [42:22]

২২. হে রাসূল! আপনি শিরক ও পাপাচারের মাধ্যমে অবিচারকারীদেরকে অর্জিত পাপের শাস্তির ভয়ে ভীতসন্ত্রস্ত দেখবেন। বস্তুতঃ তাদের জন্য শাস্তি অবধারিত। ফলে তাওবামুক্ত ভয় তাদের কোন উপকারে আসবে না। পক্ষান্তরে যারা আল্লাহ ও তদীয় রাসূলগণে বিশ্বাসী ও নেক আমলকারী তারা সম্পূর্ণ এর বিপরীত। কেননা, তারা জান্নাতের উদ্যানসমূহে উপভোগে নিমগ্ন থাকবে। তাদের জন্য তাদের প্রতিপালকের নিকট উপভোগ্য যা চাইবে অবারিত ধারায় তা থাকবে। এটি হলো সেই মহা অনুগ্রহ যার সাথে অন্য কোন অনুগ্রহের তুলনা হয় না।

### الآية 42:23

> ﻿ذَٰلِكَ الَّذِي يُبَشِّرُ اللَّهُ عِبَادَهُ الَّذِينَ آمَنُوا وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ ۗ قُلْ لَا أَسْأَلُكُمْ عَلَيْهِ أَجْرًا إِلَّا الْمَوَدَّةَ فِي الْقُرْبَىٰ ۗ وَمَنْ يَقْتَرِفْ حَسَنَةً نَزِدْ لَهُ فِيهَا حُسْنًا ۚ إِنَّ اللَّهَ غَفُورٌ شَكُورٌ [42:23]

২৩. আল্লাহ তদীয় রাসূল মারফত এই মহা সুসংবাদ দ্বারা তাদেরকে সুসংবাদ দেন যারা আল্লাহ ও তদীয় রাসূলগণের উপর ঈমান আনয়ন পূর্বক নেক আমল করে। হে রাসূল! আপনি বলুন, আমি তোমাদের নিকট হক পৌঁছে দেয়ার জন্য কোন প্রতিদান চাই না। কেবল একটি মাত্র প্রতিদান ব্যতীত যার উপকারিতা তোমাদের প্রতি প্রত্যাবর্তিত হবে। আর তা হলো এই যে, তোমরা আমাকে তোমাদের সাথে জ্ঞাতি বন্ধনের ফলে ভালোবাসবে। বস্তুতঃ যে পুণ্য অর্জন করবে তার প্রতিদান বহুগুণে বৃদ্ধি করা হবে। একটি হবে দশগুণ সমান। অবশ্যই আল্লাহ স্বীয় বান্দাদের মধ্যে তাওবাকারীদের পাপ ক্ষমাকারী ও তাঁর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে নেক আমলকারীদের মূল্যায়নকারী।

### الآية 42:24

> ﻿أَمْ يَقُولُونَ افْتَرَىٰ عَلَى اللَّهِ كَذِبًا ۖ فَإِنْ يَشَإِ اللَّهُ يَخْتِمْ عَلَىٰ قَلْبِكَ ۗ وَيَمْحُ اللَّهُ الْبَاطِلَ وَيُحِقُّ الْحَقَّ بِكَلِمَاتِهِ ۚ إِنَّهُ عَلِيمٌ بِذَاتِ الصُّدُورِ [42:24]

২৪. মুশরিকদের ধারণা ছিলো যে, মোহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এই কুরআন নিজে রচনা করে একে স্বীয় রবের প্রতি সম্পর্কিত করেছে। আল্লাহ তাদের প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, যদি আপনি মিথ্যা রচনার কথা মনে মনে ভাবতেন তাহলে আমি আপনার অন্তরে মোহর লাগিয়ে দিতাম এবং রচিত বাতিলকে মিটিয়ে দিতাম আর হক অবশিষ্ট রেখে দিতাম। যেহেতু বিষয়টি এমন ছিলো না তাই এ কথা প্রমাণ হলো যে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আল্লাহ কর্তৃক ওহীপ্রাপ্ত। তিনি বান্দাদের অন্তরের খবর রাখেন। তাঁর নিকট কিছুই গোপন থাকে না।

### الآية 42:25

> ﻿وَهُوَ الَّذِي يَقْبَلُ التَّوْبَةَ عَنْ عِبَادِهِ وَيَعْفُو عَنِ السَّيِّئَاتِ وَيَعْلَمُ مَا تَفْعَلُونَ [42:25]

২৫. তিনি স্বীয় বান্দারা কুফরী ও শিরকের পাপ হতে তাওবা করলে তখন তা কবুল করেন এবং তাদের কৃতপাপ মার্জনা করেন। তিনি তোমাদের কৃতকর্ম সবই জানেন। তাঁর নিকট তোমাদের কোন আমলই গোপন থাকে না এবং তিনি এর প্রতিদান দিবেন।

### الآية 42:26

> ﻿وَيَسْتَجِيبُ الَّذِينَ آمَنُوا وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ وَيَزِيدُهُمْ مِنْ فَضْلِهِ ۚ وَالْكَافِرُونَ لَهُمْ عَذَابٌ شَدِيدٌ [42:26]

২৬. তিনি আল্লাহ ও তদীয় রাসূলদের উপর ঈমান আনয়নকারী ও নেক আমলকারীদের দু‘আ কবুল করেন। তিনি তাদের জন্য আপন অনুগ্রহ তাদের চাওয়ার তুলনায় আরো বেশী প্রদান করেন। পক্ষান্তরে আল্লাহকে অবিশ্বাসকারীদের জন্য রয়েছে কিয়ামত দিবসে অপেক্ষমাণ কঠিন শাস্তি।

### الآية 42:27

> ﻿۞ وَلَوْ بَسَطَ اللَّهُ الرِّزْقَ لِعِبَادِهِ لَبَغَوْا فِي الْأَرْضِ وَلَٰكِنْ يُنَزِّلُ بِقَدَرٍ مَا يَشَاءُ ۚ إِنَّهُ بِعِبَادِهِ خَبِيرٌ بَصِيرٌ [42:27]

২৭. আল্লাহ তাঁর সকল বান্দার জীবিকা প্রশস্ত করলে তারা যমীনে অবিচারমূলক উৎপাত চালাবে। তাই তিনি পরিমাণ মত প্রশস্ত কিংবা সংকীর্ণ করে জীবিকা অবতীর্ণ করেন। তিনি স্বীয় বান্দাদের অবস্থা সম্পর্কে অবগত ও তিনি তাদের পরিদর্শক। ফলে তিনি হেকমত সাপেক্ষে প্রদান ও বারণ করেন।

### الآية 42:28

> ﻿وَهُوَ الَّذِي يُنَزِّلُ الْغَيْثَ مِنْ بَعْدِ مَا قَنَطُوا وَيَنْشُرُ رَحْمَتَهُ ۚ وَهُوَ الْوَلِيُّ الْحَمِيدُ [42:28]

২৮. তিনিই সেই আল্লাহ যিনি স্বীয় বান্দারা নিরাশ হয়ে যাওয়ার পর তাদের উদ্দেশ্যে বৃষ্টি বর্ষান। ফলে যমীন উদ্ভিদ উৎপন্ন করে। তিনি বান্দাদের সকল কাজ আঞ্জাম দেন। তিনি সর্বাবস্থায় প্রশংসিত।

### الآية 42:29

> ﻿وَمِنْ آيَاتِهِ خَلْقُ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ وَمَا بَثَّ فِيهِمَا مِنْ دَابَّةٍ ۚ وَهُوَ عَلَىٰ جَمْعِهِمْ إِذَا يَشَاءُ قَدِيرٌ [42:29]

২৯. আল্লাহর ক্ষমতা ও তাঁর একত্ববাদের উপর প্রমাণ বহনকারী নিদর্শনাবলীর মধ্যে রয়েছে আসমানসমূহ ও যমীনের সৃষ্টি এবং এতে যে সব আশ্চর্যজনক সৃষ্টিকে ছড়িয়ে রেখেছেন। তিনি যখন ইচ্ছা তাদেরকে সমবেত করতে ও প্রতিদান দিতে সক্ষম। তিনি যেমন প্রথমবার তাদেরকে সৃষ্টি করতে অপারগ হন নি তেমনি উপরোক্ত কাজেও অপারগ হবেন না।

### الآية 42:30

> ﻿وَمَا أَصَابَكُمْ مِنْ مُصِيبَةٍ فَبِمَا كَسَبَتْ أَيْدِيكُمْ وَيَعْفُو عَنْ كَثِيرٍ [42:30]

৩০. হে মানব সমাজ! তোমাদের ব্যক্তি সত্তায় কিংবা সম্পদে যে বিপদ নেমে আসে তা তোমাদের হাতেরই অর্জন তথা পাপের কারণেই হয়ে থাকে। বরং আল্লাহ তোমাদের অনেক পাপ ক্ষমার মাধ্যমে পাকড়াও থেকে রক্ষা দেন।

### الآية 42:31

> ﻿وَمَا أَنْتُمْ بِمُعْجِزِينَ فِي الْأَرْضِ ۖ وَمَا لَكُمْ مِنْ دُونِ اللَّهِ مِنْ وَلِيٍّ وَلَا نَصِيرٍ [42:31]

৩১. আল্লাহ যখন তোমাদেরকে শাস্তি দিতে চান তখন তোমরা পালিয়ে গিয়ে তা থেকে নিজেদেরকে রক্ষা করার ক্ষমতা রাখো না। আর না তিনি ব্যতীত তোমাদের কোন অভিভাবক রয়েছে যে তোমাদের দায়িত্বভার গ্রহণ করবে। আর না এমন কোন সাহায্যকারী রয়েছে যে তোমাদের থেকে শাস্তি সরাতে সক্ষম। যদি তিনি তোমাদেরকে শাস্তি দিতে চান।

### الآية 42:32

> ﻿وَمِنْ آيَاتِهِ الْجَوَارِ فِي الْبَحْرِ كَالْأَعْلَامِ [42:32]

৩২. আল্লাহর ক্ষমতা ও একত্ববাদের উপর প্রমাণ বহনকারী নিদর্শনাবলীর মধ্যে রয়েছে সমুদ্রে অবস্থানরত উচ্চতায় পাহাড় সদৃশ জাহাজসমূহ।

### الآية 42:33

> ﻿إِنْ يَشَأْ يُسْكِنِ الرِّيحَ فَيَظْلَلْنَ رَوَاكِدَ عَلَىٰ ظَهْرِهِ ۚ إِنَّ فِي ذَٰلِكَ لَآيَاتٍ لِكُلِّ صَبَّارٍ شَكُورٍ [42:33]

৩৩. আল্লাহ ইচ্ছা করলে সেই বায়ু থামিয়ে দিতে পারেন যে বায়ু এগুলোকে চালায়। ফলে সেগুলো নড়াচড়া না করে সমুদ্রে থেমে থাকবে। উপরোল্লেখিত এই জাহাজ সৃষ্টি ও বায়ু পরিচালনার মধ্যে বিপদ ও পরীক্ষায় দৃঢ়তার সাথে ধৈর্য ধারণকারী ও আল্লাহর নি‘আমতের শুকরিয়া আদায়কারীদের জন্য আল্লাহর ক্ষমতার সুস্পষ্ট প্রমাণাদি রয়েছে।

### الآية 42:34

> ﻿أَوْ يُوبِقْهُنَّ بِمَا كَسَبُوا وَيَعْفُ عَنْ كَثِيرٍ [42:34]

৩৪. কিংবা তিনি যদি এ সব মানুষের উপর্জিত পাপের কারণে জাহাজগুলো ঝড় হাওয়া প্রেরণের মাধ্যমে ধ্বংস করতে চাইলে তিনি তা করতে পারেন এবং স্বীয় বান্দাদের বহু পাপের হিসাব না করে তাদেরকে ক্ষমাও করতে পারেন।

### الآية 42:35

> ﻿وَيَعْلَمَ الَّذِينَ يُجَادِلُونَ فِي آيَاتِنَا مَا لَهُمْ مِنْ مَحِيصٍ [42:35]

৩৫. ঝড় হাওয়ার মাধ্যমে জাহাজগুলোকে ধ্বংস করার পর আল্লাহর নিদর্শনাবলীকে বাতিল করার মানসে তাতে বিতর্ককারীরা জানতে পারবে যে, আল্লাহর শাস্তি থেকে তাদের বাঁচার কোন উপায় নেই। ফলে তারা সকল গাইরুল্লাহকে বাদ দিয়ে কেবল আল্লাহকে ডাকবে।

### الآية 42:36

> ﻿فَمَا أُوتِيتُمْ مِنْ شَيْءٍ فَمَتَاعُ الْحَيَاةِ الدُّنْيَا ۖ وَمَا عِنْدَ اللَّهِ خَيْرٌ وَأَبْقَىٰ لِلَّذِينَ آمَنُوا وَعَلَىٰ رَبِّهِمْ يَتَوَكَّلُونَ [42:36]

৩৬. হে মানব সমাজ! তোমাদেরকে সম্পদ, সম্মান ও সন্তান হিসেবে যা কিছু প্রদান করা হয়েছে তা হলো দুনিয়ার জীবনের উপকরণ মাত্র। যা নিঃশেষযোগ্য ও ক্ষণস্থায়ী। পক্ষান্তরে স্থায়ী নি‘আমত হলো জান্নাতের ভোগসামগ্রী। যা আল্লাহ তাঁর উপর ও তদীয় রাসূলদের উপর বিশ্বাস স্থাপনকারী এবং সর্ববিষয়ে স্বীয় রবের উপর ভরসাকারীদের জন্য প্রস্তুত রেখেছেন।

### الآية 42:37

> ﻿وَالَّذِينَ يَجْتَنِبُونَ كَبَائِرَ الْإِثْمِ وَالْفَوَاحِشَ وَإِذَا مَا غَضِبُوا هُمْ يَغْفِرُونَ [42:37]

৩৭. আর যারা বড় ও জঘন্য পাপ থেকে বিরত থাকে এবং কারো কথা ও কাজে রাগান্বিত হলে শাস্তি না দিয়ে তাদের ভ্রমকে কল্যাণ ও সুবিধা সাপেক্ষে অনুগ্রহ পূর্বক ক্ষমা করে।

### الآية 42:38

> ﻿وَالَّذِينَ اسْتَجَابُوا لِرَبِّهِمْ وَأَقَامُوا الصَّلَاةَ وَأَمْرُهُمْ شُورَىٰ بَيْنَهُمْ وَمِمَّا رَزَقْنَاهُمْ يُنْفِقُونَ [42:38]

৩৮. পক্ষান্তরে যারা আদেশ নিষেধ মান্য করার মাধ্যমে স্বীয় রবের ডাকে সাড়া দিয়েছে এবং পূর্ণাঙ্গভাবে নামায আদায় করেছে আর যারা তাদের গুরুত্বপূর্ণ কাজে পরস্পর পরামর্শ করে এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি কামনান্তে আমার প্রদত্ত রিযিক ব্যয় করে।

### الآية 42:39

> ﻿وَالَّذِينَ إِذَا أَصَابَهُمُ الْبَغْيُ هُمْ يَنْتَصِرُونَ [42:39]

৩৯. আর যারা নির্যাতিত হলে অত্যাচারী ক্ষমাযোগ্য না হওয়া অবস্থায় নিজের নফসের মান সম্মান রক্ষার্থে প্রতিশোধ নেয় যা তার ন্যায্য অধিকার। বিশেষতঃ যখন ক্ষমার মধ্যে কোন সুবিধা না থাকে।

### الآية 42:40

> ﻿وَجَزَاءُ سَيِّئَةٍ سَيِّئَةٌ مِثْلُهَا ۖ فَمَنْ عَفَا وَأَصْلَحَ فَأَجْرُهُ عَلَى اللَّهِ ۚ إِنَّهُ لَا يُحِبُّ الظَّالِمِينَ [42:40]

৪০. অতিরঞ্জন ও সীমালঙ্ঘন না করে কেউ তার অধিকার আদায় করতে চাইলে তার সে অধিকার রয়েছে। তবে যে তার প্রতি অসদাচরণকারীকে পাকড়াও না করে ক্ষমা করে দেয় এবং তার ও তার ভাইয়ের মাঝে মীমাংসা করে এর প্রতিদান আল্লাহর নিকট রক্ষিত থাকবে। বস্তুতঃ যারা মানুষের ব্যক্তিসত্তা, সম্পদ কিংবা সম্ভ্রমে অবিচার করে আল্লাহ তাদেরকে ভালোবাসেন না। বরং ঘৃণা করেন।

### الآية 42:41

> ﻿وَلَمَنِ انْتَصَرَ بَعْدَ ظُلْمِهِ فَأُولَٰئِكَ مَا عَلَيْهِمْ مِنْ سَبِيلٍ [42:41]

৪১. যারা তাদের নিজের অধিকার আদায় করেছে তাদেরকে পাকড়াও করা হবে না। কেননা, তারা নায্য অধিকার আদায় করেছে।

### الآية 42:42

> ﻿إِنَّمَا السَّبِيلُ عَلَى الَّذِينَ يَظْلِمُونَ النَّاسَ وَيَبْغُونَ فِي الْأَرْضِ بِغَيْرِ الْحَقِّ ۚ أُولَٰئِكَ لَهُمْ عَذَابٌ أَلِيمٌ [42:42]

৪২. কিন্তু অন্যায়ভাবে মানুষকে নির্যাতনকারীদেরকে পাকড়াও করা হবে এবং যমীনে পাপাচার করে বেড়ায় এমন লোকদের জন্য রয়েছে পরকালে কষ্টদায়ক শাস্তি।

### الآية 42:43

> ﻿وَلَمَنْ صَبَرَ وَغَفَرَ إِنَّ ذَٰلِكَ لَمِنْ عَزْمِ الْأُمُورِ [42:43]

৪৩. তবে যে ব্যক্তি অন্যের কষ্টের উপর ধৈর্য ধারণ করে তাকে মার্জনা করে এই ধৈর্য তার ও সমাজের জন্য কল্যাণ বয়ে আনবে। বস্তুতঃ এটি একটি প্রশংসনীয় কাজ। যে জন্য মহা ভাগ্যবান ব্যতীত অন্য কাউকে তাওফীক প্রদান করা হয় না।

### الآية 42:44

> ﻿وَمَنْ يُضْلِلِ اللَّهُ فَمَا لَهُ مِنْ وَلِيٍّ مِنْ بَعْدِهِ ۗ وَتَرَى الظَّالِمِينَ لَمَّا رَأَوُا الْعَذَابَ يَقُولُونَ هَلْ إِلَىٰ مَرَدٍّ مِنْ سَبِيلٍ [42:44]

৪৪. আর যাকে আল্লাহ হেদায়েত থেকে বঞ্চিত করার মাধ্যমে অপমান করতঃ হক থেকে ভ্রষ্ট করেন তার জন্য তিনি ব্যতীত অন্য কোন অভিভাবক নেই। আর আপনি নিজেদের উপর কুফরী ও পাপাচারের মাধ্যমে অবিচারকারীদেরকে যখন তারা কিয়ামত দিবসে শাস্তি প্রত্যক্ষ করবে তখন তাদেরকে আকাঙ্খা করে বলতে দেখবেন, দুনিয়াতে প্রত্যাবর্তনের কোন পথ আছে কি? তাহলে আমরা আল্লাহর নিকট তাওবা করতাম।

### الآية 42:45

> ﻿وَتَرَاهُمْ يُعْرَضُونَ عَلَيْهَا خَاشِعِينَ مِنَ الذُّلِّ يَنْظُرُونَ مِنْ طَرْفٍ خَفِيٍّ ۗ وَقَالَ الَّذِينَ آمَنُوا إِنَّ الْخَاسِرِينَ الَّذِينَ خَسِرُوا أَنْفُسَهُمْ وَأَهْلِيهِمْ يَوْمَ الْقِيَامَةِ ۗ أَلَا إِنَّ الظَّالِمِينَ فِي عَذَابٍ مُقِيمٍ [42:45]

৪৫. হে রাসূল! আপনি এ সব জালিমদেরকে দেখতে পাবেন যখন তাদেরকে অপমান-অপদস্ত অবস্থায় আগুনের সামনে উপস্থাপন করা হবে। তারা তখন এর ভয়ে মানুষের প্রতি অজানা দৃষ্টি নিবদ্ধ করবে। আর যারা আল্লাহ ও তদীয় রাসূলদের প্রতি ঈমান আনয়ন করে তারা বলবে, যারা কিয়ামত দিবসে আল্লাহর শাস্তিতে নিপতিত হওয়ার মাধ্যমে নিজেদেরকে ও আপনজনদেরকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে তারাই প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত। জেনে রেখো, কুফরী ও পাপাচারের মাধ্যমে নিজেদের উপর অবিচারকারীরা নিরবচ্ছিন্ন স্থায়ী শাস্তিতে নিমজ্জিত থাকবে।

### الآية 42:46

> ﻿وَمَا كَانَ لَهُمْ مِنْ أَوْلِيَاءَ يَنْصُرُونَهُمْ مِنْ دُونِ اللَّهِ ۗ وَمَنْ يُضْلِلِ اللَّهُ فَمَا لَهُ مِنْ سَبِيلٍ [42:46]

৪৬. কিয়ামত দিবসে তাদের এমন কোন অভিভাবক থাকবে না যারা তাদেরকে আল্লাহর শাস্তি থেকে উদ্ধার করার মাধ্যমে সাহায্য করতে পারে। বস্তুতঃ যাকে আল্লাহ হক থেকে ভ্রষ্ট করার মাধ্যমে অপমান করেন তার হকের প্রতি পথ পাওয়ার কোন উপায় নেই।

### الآية 42:47

> ﻿اسْتَجِيبُوا لِرَبِّكُمْ مِنْ قَبْلِ أَنْ يَأْتِيَ يَوْمٌ لَا مَرَدَّ لَهُ مِنَ اللَّهِ ۚ مَا لَكُمْ مِنْ مَلْجَإٍ يَوْمَئِذٍ وَمَا لَكُمْ مِنْ نَكِيرٍ [42:47]

৪৭. হে লোক সকল! তোমরা গড়িমসি না করে আল্লাহর আদেশ-নিষেধ মান্য করতে অপ্রতিরুদ্ধ কিয়ামত দিবস আসার পূর্বেই তোমাদের রবের ডাকে জলদি সাড়া দাও। তোমাদের এমন কোন আশ্রয়স্থল নেই যেখানে তোমরা আশ্রয় গ্রহণ করবে। আর না তোমাদের এমন কোন সুযোগ রয়েছে যার ফাঁকে তোমরা দুনিয়াতে তোমাদের কৃত পাপের কথা অস্বীকার করবে।

### الآية 42:48

> ﻿فَإِنْ أَعْرَضُوا فَمَا أَرْسَلْنَاكَ عَلَيْهِمْ حَفِيظًا ۖ إِنْ عَلَيْكَ إِلَّا الْبَلَاغُ ۗ وَإِنَّا إِذَا أَذَقْنَا الْإِنْسَانَ مِنَّا رَحْمَةً فَرِحَ بِهَا ۖ وَإِنْ تُصِبْهُمْ سَيِّئَةٌ بِمَا قَدَّمَتْ أَيْدِيهِمْ فَإِنَّ الْإِنْسَانَ كَفُورٌ [42:48]

৪৮. হে রাসূল! তারা আপনাকে দেয়া আমার নির্দেশিত বিষয় থেকে মুখ ফিরিয়ে নিলে আপনি জেনে রাখুন, আমি আপনাকে তাদের উপর রক্ষক হিসাবে প্রেরণ করি নি যে, আপনি তাদের আমলগুলো রক্ষণাবেক্ষণ করবেন। আপনার দায়িত্ব হলো কেবল নির্দেশিত বিষয় পৌঁছে দেয়া। আর হিসাবের ভার আল্লাহর উপর। আমি যখন মানুষকে আমার পক্ষ থেকে সুস্থতা কিংবা সচ্ছলতা স্বরূপ রহমত আস্বাদন করাই তখন সে আনন্দিত হয়। পক্ষান্তরে পাপের কারণে তাদের উপর কষ্টকর আপদ আসলে তাদের স্বভাব হলো এই যে, তারা আল্লাহর নি‘আমত অস্বীকার ও এর না শুকরি করে। এমনকি আল্লাহ তাঁর হেকমত সাপেক্ষে যে ফায়সালা করেন তার উপরও তারা অসন্তুষ্ট হয়।

### الآية 42:49

> ﻿لِلَّهِ مُلْكُ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ ۚ يَخْلُقُ مَا يَشَاءُ ۚ يَهَبُ لِمَنْ يَشَاءُ إِنَاثًا وَيَهَبُ لِمَنْ يَشَاءُ الذُّكُورَ [42:49]

৪৯-৫০. আসমান ও যমীনের রাজত্ব আল্লাহর। তিনি তাঁর ইচ্ছা মাফিক ছেলে কিংবা মেয়ে সৃষ্টি করেন। যাকে ইচ্ছা ছেলে দিয়ে মেয়ে থেকে বঞ্চিত রাখেন। আবার যাকে ইচ্ছা মেয়ে দিয়ে ছেলে থেকে বঞ্চিত রাখেন। আবার যাকে ইচ্ছা দু’টোই দান করেন। আর যাকে ইচ্ছা বন্ধ্যা করে রাখেন। ফলে তার কোন সন্তানই হয় না। তিনি যা কিছু হয়েছে আর যা কিছু ভবিষ্যতে হবে সে ব্যাপারে পরিজ্ঞাত। বস্তুতঃ এটি তাঁর জ্ঞানের পূর্ণতা ও প্রজ্ঞার পরিপক্কতার প্রমাণ। তাঁর নিকট কোন কিছুই গোপন থাকে না। আর না তাঁর জন্য কোন অপারগকারী আছে।

### الآية 42:50

> ﻿أَوْ يُزَوِّجُهُمْ ذُكْرَانًا وَإِنَاثًا ۖ وَيَجْعَلُ مَنْ يَشَاءُ عَقِيمًا ۚ إِنَّهُ عَلِيمٌ قَدِيرٌ [42:50]

৪৯-৫০. আসমান ও যমীনের রাজত্ব আল্লাহর। তিনি তাঁর ইচ্ছা মাফিক ছেলে কিংবা মেয়ে সৃষ্টি করেন। যাকে ইচ্ছা ছেলে দিয়ে মেয়ে থেকে বঞ্চিত রাখেন। আবার যাকে ইচ্ছা মেয়ে দিয়ে ছেলে থেকে বঞ্চিত রাখেন। আবার যাকে ইচ্ছা দু’টোই দান করেন। আর যাকে ইচ্ছা বন্ধ্যা করে রাখেন। ফলে তার কোন সন্তানই হয় না। তিনি যা কিছু হয়েছে আর যা কিছু ভবিষ্যতে হবে সে ব্যাপারে পরিজ্ঞাত। বস্তুতঃ এটি তাঁর জ্ঞানের পূর্ণতা ও প্রজ্ঞার পরিপক্কতার প্রমাণ। তাঁর নিকট কোন কিছুই গোপন থাকে না। আর না তাঁর জন্য কোন অপারগকারী আছে।

### الآية 42:51

> ﻿۞ وَمَا كَانَ لِبَشَرٍ أَنْ يُكَلِّمَهُ اللَّهُ إِلَّا وَحْيًا أَوْ مِنْ وَرَاءِ حِجَابٍ أَوْ يُرْسِلَ رَسُولًا فَيُوحِيَ بِإِذْنِهِ مَا يَشَاءُ ۚ إِنَّهُ عَلِيٌّ حَكِيمٌ [42:51]

৫১. কোন মানুষের জন্য এ কথা মানায় না যে, তার সাথে আল্লাহ ওহী কিংবা দৈব ইঙ্গিত ব্যতীত অন্য কোনভাবে কথা বলবেন অথবা তার সাথে দেখা না দিয়ে শুধু শ্রবণযোগ্য কথা বলবেন কিংবা ফিরিশতা প্রেরণের মাধ্যমে যেমন জিবরীল রয়েছেন তাঁকে দিয়ে মানবীয় রাসূলের নিকট তাঁর ইচ্ছায় ওহী পৌঁছাবেন। তিনি তাঁর সত্তা ও গুণাবলীতে সমুন্নত এবং তাঁর সৃষ্টি, তাকদীর ও ক্ষমতায় প্রজ্ঞাবান।

### الآية 42:52

> ﻿وَكَذَٰلِكَ أَوْحَيْنَا إِلَيْكَ رُوحًا مِنْ أَمْرِنَا ۚ مَا كُنْتَ تَدْرِي مَا الْكِتَابُ وَلَا الْإِيمَانُ وَلَٰكِنْ جَعَلْنَاهُ نُورًا نَهْدِي بِهِ مَنْ نَشَاءُ مِنْ عِبَادِنَا ۚ وَإِنَّكَ لَتَهْدِي إِلَىٰ صِرَاطٍ مُسْتَقِيمٍ [42:52]

৫২. হে রাসূল! আমি যেভাবে আপনার পূর্বেকার নবীদের নিকট ওহী অবতীর্ণ করেছি ঠিক তেমনিভাবে আমার পক্ষ থেকে আপনার নিকট কুরআন অবতীর্ণ করেছি। ইতিপূর্বে আপনি জানতেন না, রাসূলদের উপর অবতীর্ণ আসমানী কিতাবই বা কী, আর ঈমানই বা কী? হ্যাঁ, আমি এই কুরআনকে জ্যোতি স্বরূপ অবতীর্ণ করেছি। যার মাধ্যমে আমার বান্দাদের মধ্যে যাকে ইচ্ছা পথ প্রদর্শন করি। বস্তুতঃ আপনি মানুষকে সরল পথ তথা দ্বীন ইসলামের সন্ধান দিয়ে থাকেন।

### الآية 42:53

> ﻿صِرَاطِ اللَّهِ الَّذِي لَهُ مَا فِي السَّمَاوَاتِ وَمَا فِي الْأَرْضِ ۗ أَلَا إِلَى اللَّهِ تَصِيرُ الْأُمُورُ [42:53]

৫৩. তা হলো সেই আল্লাহর পথ যার জন্য রয়েছে সৃষ্টি, রাজত্ব ও পরিচালনার দিক থেকে আসমান ও যমীনের সব কিছু নির্ধারণ ও পরিচালনার ভার। মূলতঃ তোমরা এক আল্লাহর প্রতি প্রত্যাবর্তিত হবে।

## روابط ذات صلة

- [النص القرآني للسورة](https://quranpedia.net/surah/1/42.md)
- [كل تفاسير سورة الشورى
](https://quranpedia.net/surah-tafsir/42.md)
- [ترجمات سورة الشورى
](https://quranpedia.net/translations/42.md)
- [صفحة الكتاب: الترجمة البنغالية للمختصر في تفسير القرآن الكريم](https://quranpedia.net/book/27826.md)

---

زُر [Quranpedia.net](https://quranpedia.net/surah/1/42/book/27826) — موسوعة القرآن الكريم: التفاسير، الترجمات، التلاوات، والمواضيع.
