তবে তারা ছাড়া, যারা তোমাদের আয়ত্তে আসার আগেই তওবা করবে [১]। সুতরাং জেনে রাখ যে, আল্লাহ অবশ্যই ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।
[১] হুদুদ জাতীয় শাস্তি যেমন কোন শাসক ও বিচারক ক্ষমা করতে পারে না, তেমনি তাওবা করলেও ক্ষমা হয়ে যায় না। তবে খাটি তাওবা দ্বারা আখেরাতের গোনাহ মাফ হতে অব্যাহতি লাভ হতে পারে। তন্মধ্যে শুধু ডাকাতির শাস্তির বেলায় একটি ব্যতিক্রম রয়েছে। ডাকাত যদি গ্রেফতারীর পূর্বে তাওবা করে এবং তার আচার-আচরণের দ্বারাও তাওবার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়, তবে সে হদ থেকে রেহাই পাবে। কিন্তু গ্রেফতারীর পর তাওবা ধর্তব্য নয়। অন্যান্য হুদুদ তাওবা দ্বারাও মাফ হয় না, হোক সে তাওবা গ্রেফতারীর পূর্বে অথবা পরে। [ইবন কাসীর অনুরূপ বর্ণনা আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেছেন]
— الترجمة البنغالية
৩৪. তবে হে কর্তৃত্বশীলরা! এ ছিনতাইকারী ও ডাকাতদের যারা তোমাদের হাতে ধরা পড়ার আগেই তাওবা করে নেয় তোমরা জেনে রাখো যে, নিশ্চয়ই আল্লাহ তা‘আলা তাওবার পর তাদের প্রতি ক্ষমাশীল ও দয়ালু। আর তাদের প্রতি তাঁর দয়ার একটি নমুনা হলো তাদের শাস্তিটুকু মওকুফ করে দেয়া।
— الترجمة البنغالية للمختصر في تفسير القرآن الكريم