হে মুমিনগণ! তোমাদের আগে যাদেরকে কিতাব দেয়া হয়েছে তাদের মধ্যে যারা তোমাদের দ্বীণকে হাসি-তামাশা ও খেলার বস্তুরূপে গ্রহণ করে তাদেরকে ও কাফেরদেরকে তোমরা বন্ধুরূপে গ্রহণ করো না এবং তোমরা আল্লাহর তাকওয়া অবলম্বন কর, যদি তোমরা মুমিন হয়ে থাক [১]।
নবম রুকূ‘
[১] অর্থাৎ হে ঈমানদারগণ, তোমরা তাদেরকে সাখী অথবা ঘনিষ্ঠ বন্ধুরূপে গ্রহণ করো না, যারা তোমাদের দ্বীনকে উপহাস ও খেলা মনে করে। এরা দুই দলে বিভক্ত এক. আহ্‌লে কিতাব সম্প্রদায়। দুই. মুশরিক সম্প্রদায়। আয়াতে বলা হচ্ছে যে, তোমাদের কাছে যে ঈমান আছে তার চাহিদা হচ্ছে, তোমরা তাদেরকে অন্তরঙ্গ বন্ধু বানাবে না। তাদের কাছে গোপন ভেদ প্রকাশ করবে না। তাদের সাথে বৈরীভাব রাখবে। তোমাদের কাছে যে তাকওয়া আছে তাও তোমাদেরকে তাদের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রাখতে নিষেধ করে। [সা’দী]
— الترجمة البنغالية
৫৭. হে ঈমানদারগণ! তোমরা পূর্বের কিতাবী তথা ইহুদি ও খ্রিস্টান উপরন্তু তোমাদের ধর্ম নিয়ে ঠাট্টা ও তামাশাকারী মুশরিকদেরকে খাঁটি দোস্ত ও বন্ধুরূপে গ্রহণ করো না। আর তাদের বন্ধুত্বের বিষয়ে আল্লাহর নিষেধাজ্ঞাকে মেনে তাঁকেই ভয় করো। যদি তোমরা তাঁর উপর এবং তোমাদের প্রতি নাযিলকৃত বিষয়ের প্রতি ঈমান এনে থাকো।
— الترجمة البنغالية للمختصر في تفسير القرآن الكريم