বলুন, ‘তোমরা যাদের শরীক কর তাদের মধ্যে কি এমন কেউ আছে, যে সৃষ্টিকে অস্তিত্বে আনে ও পরে সেটার পুনরাবৃত্তি ঘটায়?’ বলুন, ‘আল্লাহ্‌ই সৃষ্টিকে অস্তিত্বে আনেন ও পরে সেটার পুনরাবৃত্তি ঘটাবেন [১]’। কাজেই (সত্য থেকে) তোমাদেরকে কোথায় ফেরানো হচ্ছে?
[১] সৃষ্টির সূচনা সম্পর্কে মুশরিকরাও স্বীকার করতো যে, এটা একমাত্র আল্লাহরই কাজ। তাঁর সাথে যাদেরকে তারা শরীক করে তাদের কারো এ কাজে কোন অংশ নেই। আর সৃষ্টির পুনরাবৃত্তির ব্যাপারটিও সুস্পষ্ট। অর্থাৎ প্রথমে যিনি সৃষ্টি করেন তাঁর পক্ষেই দ্বিতীয়বার সৃষ্টি করা সম্ভব। কিন্তু যে প্রথমবারই সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়নি সে দ্বিতীয়বার সৃষ্টি করতে পারে কেমন করে? অন্য আয়াতেও আল্লাহ তা ঘোষণা করেছেন। তিনি বলেন, "আল্লাহ, যিনি তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন, তারপর তোমাদেরকে রিযক দিয়েছেন, তারপর তিনি তোমাদের মৃত্যু ঘটাবেন অবশেষে তিনি তোমাদেরকে জীবিত করবেন। (আল্লাহ্‌র সাথে শরীক সাব্যস্তকৃত) তোমাদের মা’বুদগুলোর এমন কেউ আছে কি, যে এসবের কোন কিছু করতে পারে? তারা যাদেরকে শরীক করে, তিনি (আল্লাহ) সে সব (শরীক) থেকে মহিমাময়-পবিত্র ও অতি উর্ধ্বে।” [সূরা আর-রুম: ৪০] আরও বলেন, “আর তারা তার পরিবর্তে ইলাহরূপে গ্রহণ করেছে অন্যদেরকে, যারা কিছুই সৃষ্টি করে না, বরং তারা নিজেরাই সৃষ্ট এবং তারা নিজেদের অপকার কিংবা উপকার করার ক্ষমতা রাখে না এবং মৃত্যু, জীবন ও উত্থানের উপরও কোন ক্ষমতা রাখে না।” [সূরা আল-ফুরকান: ৩]
— الترجمة البنغالية
৩৪. হে রাসূল! আপনি এ মুশরিকদেরকে বলে দিন, তোমাদের আল্লাহ ছাড়া ইবাদাত করা সেই শরীক উপাস্যদের কেউ কি পূর্ব নমুনা ছাড়া কোন সৃষ্টি তৈরি করতে এবং তার মৃত্যুর পর তাকে আবার পুনরুজ্জীবিত করতে পারে? আপনি তাদেরকে বলে দিন, একমাত্র আল্লাহ তা‘আলাই পূর্ব নমুনা ছাড়া যে কোন সৃষ্টি তৈরি ও তার মৃত্যুর পর তাকে আবার পুনরুজ্জীবিত করতে পারেন। তাহলে হে মুশরিকরা! তোমরা কীভাবে হক ছেড়ে বাতিলের দিকে ধাবিত হও?!
— الترجمة البنغالية للمختصر في تفسير القرآن الكريم