আর যারা কিছু জানে না তারা [১] বলে, "আল্লাহ্ আমাদের সাথে কথা বলে না কেন ? অথবা আমাদের কাছে কেন আসে না কোন আয়াত?’ এভাবে তাদের পূর্ববতীরাও তাদের মত কথা বলতো। তাদের অন্তর একই রকম [২]। অবশ্যই আমরা আয়াতসমূহকে স্পষ্টভাবে বিবৃত করেছি, এমন কওমের জন্য, যারা দৃঢ়বিশ্বাস রাখে।— الترجمة البنغالية
[১] এদের সম্পর্কে তিনটি মত রয়েছে। এক. এরা হচ্ছে, ইয়াহুদী সম্প্রদায়। ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত যে, রাফে’ ইবনে হারীমলাহ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলল যে, হে মুহাম্মদ যদি তুমি রাসূল হয়ে থাক তবে আল্লাহ্কে বল আমাদের সাথে কথা বলতে যাতে করে আমরা তার কথা শুনতে পারি। তখন এ আয়াত নাযিল হয়। দুই. মুজাহিদ বলেন, এরা হচ্ছে, নাসারা সম্প্রদায়। তিন. কাতাদাহ ও আবুল আলীয়াহ বলেন, এরা হচ্ছে আরবের কাফের সম্প্রদায়। ইবনে কাসীর এ মতটিকে প্রাধান্য দিয়েছেন। [আত-তাফসীরুস সহীহ]
[২] অর্থাৎ আজকের পথভ্রষ্টরা এমন কোন অভিযোগ ও দাবী উত্থাপন করেনি, যা এর আগের পথভ্রষ্টরা করেনি। প্রাচীন যুগ থেকে নিয়ে আজ পর্যন্ত পথভ্রষ্টতার প্রকৃতি অপরিবর্তিত রয়েছে। বার বার একই ধরণের সন্দেহ-সংশয়, অভিযোগ ও প্রশ্নের পুনরাবৃত্তিই সে করে চলছে।
১১৮. আহলে কিতাব ও মুশরিকদের মধ্যকার মূর্খরা হঠকারিতা দেখিয়ে বলে: কেন আল্লাহ তা‘আলা আমাদের সাথে প্রকাশ্যে কথা বলেন না অথবা আপনি কেন আমাদের জন্য বিশেষ কোন সুস্পষ্ট নিদর্শন নিয়ে আসেন না? এদের মতোই পূর্ববর্তী অস্বীকারকারী সম্প্রদায়ও তাদের রাসূলদেরকে এমন কথাই বলেছে। সময় ও স্থানের ভিন্নতা থাকলেও সবার কথা ও মানসিকতা একই। আমি সত্য বিশ্বাসীদের জন্য নিদর্শনগুলো সুস্পষ্টভাবে বলে দিয়েছি। সত্য সুস্পষ্ট হলে তাদের আর কোন সন্দেহ থাকে না এবং তারা তা গ্রহণ করতে হঠকারিতাও দেখায় না।— الترجمة البنغالية للمختصر في تفسير القرآن الكريم