আর আপনি যেখান থেকেই বের হন না কেন মসজিদুল হারামের দিকে আপনার চেহারা ফিরান এবং তোমরা যেখানেই থাক না কেন এর দিকে তোমাদের চেহারা ফিরাও [১], যাতে তাদের মধ্যে যালিম ছাড়া অন্যদের তোমাদের বিরুদ্ধে বিতর্কের কিছু না থাকে। কাজেই তাদেরকে ভয় করো না এবং আমাকেই ভয় কর। আর যাতে আমি তোমাদের উপর আমার নেয়ামত পরিপূর্ণ করি এবং যাতে তোমরা হিদায়াত লাভ কর।
[১] আলোচ্য আয়াতে কেবলা পরিবর্তনের বিষয়টি বলতে গিয়ে
(فَوَلِّ وَجْهَكَ شَطْرَ الْمَسْجِدِ الْحَرَامِ)
বাক্যটি তিনবার এবং
(وَحَيْثُ مَاكُنْتُمْ فَوَلُّوْا وُجُوْهَكُمْ شَطْرَهٗ)
বাক্যটি দু’বার করে পুনরাবৃত্তি করা হয়েছে। এর একটা সাধারণ কারণ এই যে, কেবলা পরিবর্তনের নির্দেশটি বিরোধীদের জন্য তো এক হৈ-চৈএর ব্যাপার ছিলই, স্বয়ং মুসলিমদের জন্যও তাদের ‘ইবাদাতের ক্ষেত্রে ছিল একটা গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। কাজেই এ নির্দেশটি যদি যথার্থ তাকীদ ও গুরুত্ব সহকারে ব্যক্ত করা না হত, তাহলে মনের প্রশান্তি অর্জন হয়ত যথেষ্ট সহজ হত না। আর সেজন্যই নির্দেশটিকে বার বার পুনরাবৃত্তি করা হয়েছে। তদুপরি এতে এরূপ ইংগিতও রয়েছে যে, কেবলার এই যে পরিবর্তন, এটাই সর্বশেষ পরিবর্তন। এরপর পুনঃপরিবর্তনের আর কোন সম্ভাবনা নেই।
— الترجمة البنغالية
১৫০. হে নবী! আপনি যেখান থেকেই বের হোন না কেন। যখনই আপনি নামায পড়ার ইচ্ছা করবেন তখনই আপনি মসজিদুল-হারামমুখী হন। আর হে মু’মিনরা! তোমরা যেখানেই থাকো না কেন যখন তোমরা নামায পড়ার ইচ্ছা করবে তখনই মসজিদুল-হারামের দিকে মুখ ফিরাবে। যেন লোকেরা তোমাদের বিপক্ষে কোন দলীল সাব্যস্ত করতে না পারে। তবে যারা যালিম তারা তো সর্বদা হঠকারিতা দেখাতেই থাকবে। তারা যে কোন দুর্বল দলীলের মাধ্যমে তোমাদেরকে চ্যালেঞ্জ করবে। তাই তোমরা তাদেরকে ভয় পেয়ো না। বরং তোমরা একমাত্র তোমাদের প্রতিপালককেই ভয় করো। তাঁর আদেশ মান্য করো এবং তাঁর নিষেধকৃত বস্তু থেকে দূরে থাকো। কারণ, আল্লাহ তা‘আলা কা’বার দিকে ফিরার বিধান এ জন্যই করেছেন যেন তিনি তোমাদের উপর তাঁর নিয়ামত পরিপূর্ণ করে দেন। যেন তোমরা বিশেষ ও সম্মানজনক ক্বিবলা পেতে পারো।
— الترجمة البنغالية للمختصر في تفسير القرآن الكريم