অতঃপর তোমরা যদি বিপদাশংকা কর, তবে পথচারি অথবা আরোহী অবস্থায় সালাত আদায় করবে [১]। অতঃপর তোমরা যখন নিরাপদ বোধ কর তখন আল্লাহ্‌কে স্মরণ করবে, জেভাবে তিনি তমাদের শিক্ষা দিয়েছেন, যা তোমরা জানতে না।
[১] সালেহ বিন খাওয়াত ঐ ব্যক্তি থেকে বর্ণনা করেন যিনি রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে ‘যাতুর রিকা’র যুদ্ধে সালাতুল খাওফ বা ভীতির সালাতে অংশ গ্রহণ করেছিলেন তার থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেনঃ (সাহাবাগণের) একদল সালাত আদায়ের জন্য তাঁর (রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর) সাথে কাতারবন্দী হয়ে দাঁড়ালেন এবং আরেক দল শক্রর মোকাবেলায় প্রস্তুত থাকলেন। তিনি (রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) প্রথমোক্ত দলের সাথে এক রাকাআত সালাত আদায় করে দাঁড়িয়ে থাকলেন। মোক্তাদীগণ একা একা দ্বিতীয় রাকাআত পড়ে ফিরে গেলেন এবং শক্রর মুখোমুখী হয়ে দাঁড়ালেন। এবার অপর দলটি এসে দাঁড়ালে তিনি (রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাদেরকে সাথে নিয়ে অবশিষ্ট (এক) রাকাআত আদায় করে বসে থাকলেন। (দ্বিতীয় দলের) মুক্তাদীগণ নিজে নিজে দ্বিতীয় রাকাআত শেষ করে বসলে তিনি তাদেরকে সংগে নিয়ে সালাম ফিরালেন। [বুখারীঃ ৪১২৯]
— الترجمة البنغالية
২৩৯. তোমরা যদি শত্রæ ইত্যাদির ভয় করে তা পরিপূর্ণভাবে আদায় করতে না পারো তাহলে তোমরা পায়ে হেঁটে অথবা উট, ঘোড়া ইত্যাদির উপর সাওয়ার হয়ে কিংবা যেভাবেই পারো তা পড়ে নাও। তবে যখন ভয় কেটে যাবে তখন তোমরা সেভাবেই আল্লাহকে স্মরণ করো যেভাবে করতে তিনি তোমাদেরকে শিক্ষা দিয়েছেন। পরিপূর্ণ নামাযে তাঁকে স্মরণ করো। তোমরা তাঁকে আরো স্মরণ করো এ জন্য যে, তিনি তোমাদেরকে এমন নূর ও হিদায়েতের শিক্ষা দিয়েছেন যা তোমরা ইতিপূর্বে জানতে না।
— الترجمة البنغالية للمختصر في تفسير القرآن الكريم