হে মুমিনগণ! তোমরা ইয়াহুদী ও নাসারাদেরকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করো না, তারা পরস্পর পরস্পরের বন্ধু। আর তোমাদের মধ্যে কেউ তাদেরকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করলে সে নিশ্চয় তাদেরই একজন [১]। নিশ্চয় আল্লাহ যালিম সম্প্রদায়কে হেদায়াত দেন না।
অষ্টম রুকূ‘
[১] আল্লামা শানকীতী বলেন, বিভিন্ন আয়াত থেকে এটাই বুঝা যায় যে, কাফেরদের সাথে বন্ধুত্ব স্থাপন নিষিদ্ধ হওয়ার ব্যাপারটি ঐ সময়ই হবে, যখন ব্যক্তির সেখানে ইচ্ছা বা এখতিয়ার থাকবে। কিন্তু যখন ভয়-ভীতি বা সমস্যা থাকবে, তখন তাদের সাথে বাহ্যিক বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কস্থাপনের অনুমতি ইসলাম শর্তসাপেক্ষে দিয়েছে। তা হচ্ছে, যতটুকু করলে তাদের ক্ষতি থেকে রক্ষা পেতে পারে। তবে এ ক্ষেত্রেও আন্তরিক বন্ধুত্ব থাকতে পারবে না। [আদওয়াউল বায়ান]
— الترجمة البنغالية
৫১. আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের প্রতি বিশ্বাসী হে মু’মিনরা! তোমরা ইহুদি ও খ্রিস্টানদের যাদের সাথে বন্ধুত্ব করতে চাও তাদের কাউকে খাঁটি দোস্ত ও বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করতে পারো না। কারণ, ইহুদিরা তাদের ধর্মের লোকদেরকে এবং খ্রিস্টানরাও তাদের ধর্মের লোকদেরকে বন্ধু বানাবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু তোমরা তাদের উভয়ের সাথেই শত্রæতা পোষণ করবে। তোমাদের কেউ তাদের সাথে বন্ধুত্ব করলে সে তাদের অন্তর্ভুক্ত হবে। নিশ্চয়ই আল্লাহ তা‘আলা কাফিরদের সাথে তাদের বন্ধুত্বের দরুন যালিম সম্প্রদায়কে সঠিক পথ দেখান না।
— الترجمة البنغالية للمختصر في تفسير القرآن الكريم