আল্লাহ্‌ কোন সন্তান গ্রহণ করেননি এবং তাঁর সাথে অন্য কোন ইলাহও নেই; যদি থাকত তবে প্রত্যেক ইলাহ স্বীয় সৃষ্টি নিয়ে পৃথক হয়ে যেত এবং একে অন্যের উপর প্রাধান্য বিস্তার করত [১]। তারা যে গুনে তাকে গুণান্বিত করে তা থেকে আল্লাহ্‌ কত পবিত্র- মহান!
[১] অর্থাৎ বিশ্ব-জাহানের বিভিন্ন শক্তির ও বিভিন্ন অংশের স্রষ্টা ও প্ৰভু যদি আলাদা আলাদা ইলাহ হতো তাহলে তাদের মধ্যে পূর্ণ সহযোগিতা বজায় থাকতো না। বিশ্ব-জাহানের নিয়ম শৃংখলা ও তার বিভিন্ন অংশের পারস্পরিক একাত্মতা প্রমাণ করছে যে, এর ক্ষমতা ও কর্তৃত্ব একজন একক আল্লাহ্‌র হাতে কেন্দ্রীভূত। যদি কর্তৃত্ব বিভক্ত হতো তাহলে কর্তৃত্বশীলদের মধ্যে অনিবাৰ্যভাবে মতবিরোধ সৃষ্টি হতো। আর এ মতবিরোধ তাদের মধ্যে সংঘর্ষ ও যুদ্ধ পর্যন্ত না পৌঁছে ছাড়তো না। অন্যত্র বলা হয়েছেঃ “যদি পৃথিবী ও আকাশে আল্লাহ্‌ ছাড়া আর কোন সত্য ইলাহ থাকতো তাহলে এ উভয়ের ব্যবস্থা লণ্ডভণ্ড হয়ে যেতো।” [সূরা আল-আম্বিয়াঃ ২২] আরও বলা হয়েছেঃ “যদি আল্লাহ্‌র সাথে অন্য ইলাহও থাকতো, যেমন লোকেরা বলে, তাহলে নিশ্চয়ই তারা আরশের মালিকের নৈকট্যলাভের প্রচেষ্টায় ব্যস্ত থাকত’’ [সূরা আল-ইসরাঃ ৪২]
— الترجمة البنغالية
৯১. আল্লাহ তা‘আলা কোন সন্তান গ্রহণ করেননি। যা কাফিররা ধারণা করছে এবং তাঁর সাথে আর কোন সত্য মা’বূদ নেই। যদি ধরে নেয়া হয় যে, তাঁর সাথে অন্য কোন সত্য মা’বূদ রয়েছে তাহলে প্রত্যেক মা’বূদই তাঁর বানানো সৃষ্টির অংশটুকু অধিগ্রহণ এবং একে অপরের উপর জয়ী হওয়ার চেষ্টা করবেন। ফলে দুনিয়ার শৃঙ্খলাই ভেঙ্গে পড়বে। বাস্তব কথা হলো এসব কোন কিছুই ঘটেনি। সুতরাং তা থেকে এ কথাই প্রমাণিত হয় যে, সত্য মা’বূদ হলেন শুধুমাত্র একজন, তিনি এক ও অদ্বিতীয়। তিনি হলেন এক আল্লাহ। তিনি মুশরিকরা যে তাঁকে সন্তান ও শরীকের বৈশিষ্ট্যে বিশিষ্ট করেছে তা থেকে পূত ও পবিত্র। যা তাঁর সাথে আদৌ মানায় না।
— الترجمة البنغالية للمختصر في تفسير القرآن الكريم