‘হে মুমিনগণ ! তোমাদের ধন-সম্পদ ও সন্তান–সন্ততি যেন তোমাদেরকে আল্লাহর স্মরণে উদাসীন না করে। আর যারা এরূপ উদাসীন হবে তারাই তো ক্ষতিগ্রস্ত [১]।— الترجمة البنغالية
[১] এখানে আল্লাহ্ তা'আলা খাঁটি মুমিনদেরকে সম্বোধন করে সতর্ক করছেন যে, তোমরা মুনাফিকদের ন্যায় দুনিয়ার মহব্বতে মগ্ন হয়ে যেয়ো না। যেসব বিষয় মানুষকে দুনিয়াতে আল্লাহ থেকে গাফেল করে, তন্মধ্যে দুটি সর্ববৃহৎ-ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি। তাই এই দুটির নাম উল্লেখ করা হয়েছে। নতুবা দুনিয়ার যাবতীয় ভোগ-সম্ভারই উদ্দেশ্য। আয়াতের সারমর্ম এই যে, ধনসম্পদ ও সন্তানসন্ততির মহব্বত সর্বাবস্থায় নিন্দনীয় নয়। কিন্তু সর্বদা এই সীমানার প্রতি লক্ষ্য রাখতে হবে যে, এসব বস্তু যেন মানুষকে আল্লাহর স্মরণ থেকে গাফেল না করে দেয়। এখানে "আল্লাহর স্মরণের অর্থ কোন কোন তফসীরবিদের মতে পাঁচ ওয়াক্ত সালাত, কারও মতে হজ ও যাকাত এবং কারও মতে কুরআন। হাসান বসরী রাহেমাহুল্লাহ বলেনঃ স্মরণের অর্থ এখানে যাবতীয় আনুগত্য ও ইবাদত। [কুরতুবী,ফাতহুল কাদীর]
৯. হে মুমিন সম্প্রদায়! তোমরা যারা আল্লাহর উপর ঈমান এনেছো এবং তোমাদের উদ্দেশ্যে তাঁর রচিত বিধান অনুযায়ী আমল করে থাকো তোমাদের ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি যেন ইসলামের ফরয বিধি-বিধান তথা নামায ইত্যাদি থেকে তোমাদেরকে উদাসীন করতে না পারে। বস্তুতঃ যাদের ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি তাদেরকে আল্লাহ ফরয ইবাদাত তথা নামায ইত্যাদি থেকে ব্যস্ত রাখে তারা সত্যিই ক্ষতিগ্রস্ত। যারা কিয়ামতের দিন নিজেদেরকে ও তাদের পরিবাবর্গকে ক্ষতির সম্মুখীন করবে।— الترجمة البنغالية للمختصر في تفسير القرآن الكريم