আর অনেক রাসূল, যাদের বর্ণনা আমরা আপনাকে পূর্বে দিয়েছি এবং অনেক রাসূল, যাদের বর্ণনা আমরা আপনাকে দেইনি [১]। আর অবশ্যই আল্লাহ মূসার সাথে কথা বলেছেন।— الترجمة البنغالية
[১] এ আয়াতে নূহ ‘আলাইহিস সালাম-এর পরে যেসব নবী-রাসূল আগমন করেছেন, তাদের সম্পর্কে প্রথমে সাধারণভাবে বলার পর তন্মধ্যে বিশিষ্ট ও মর্যাদাসম্পন্ন কয়েকজনের নাম বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে বোঝানো হয়েছে যে, এরা সবাই আল্লাহর রাসূল এবং তাদের নিকটও বিভিন্ন পন্থায় ওহী প্রেরিত হয়েছে। কখনো ফিরিশতাদের মাধ্যমে ওহী পৌছেছে, কখনো লিপিবদ্ধ কিতাব আকারে এসেছে, আবার কখনো আল্লাহ্ তা’আলা রাসূলের সাথে পর্দার আড়াল থেকে কথোপকথন করেছেন। যে কোন পন্থায়ই ওহী পৌঁছুক না কেন, তদানুযায়ী আমল করা মানুষের একান্ত কর্তব্য। অতএব, ইয়াহুদীদের এরূপ আবদার করা যে, তাওরাতের মত লিখিত কিতাব নাযিল হলে আমরা মান্য করবো, অন্যথায় নয় -সম্পূর্ণ আহম্মকী ও স্পষ্ট কুফরী। আবু যর গিফারী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত আছে যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ তা’আলা এক লাখ চব্বিশ হাজার নবী-রাসূল প্রেরণ করেছেন, যাদের মধ্যে স্বতন্ত্র শরীআতের অধিকারী রাসূলের সংখ্যা ছিল তিনশ’ তের জন’। [সিহীহ ইবন হিব্বানঃ ৩৬১]
১৬৪. আমার প্রেরিত অনেক রাসূলের বর্ণনা আমি আপনার নিকট প্রেরিত কুর‘আনে দিয়েছি। আবার অনেক প্রেরিত রাসূলের বর্ণনা আমি আপনার কুর‘আনে দেইনি। কৌশলগত কারণে আমি তাঁদেরকে কুর‘আনে উল্লেখ করিনি। আর আল্লাহ তা‘আলা মূসা (আলাইহিস-সালাম) কে সম্মানিত করার জন্য তাঁর সাথে কোন মাধ্যম ছাড়া নবুওয়াতের বাস্তব ও সুসামঞ্জস্যপূর্ণ কথা বলেছেন। তা ছিলো বাস্তব কথা যা তাঁর সাথে মানায় এবং তা ছিলো মূসা (আলাইহিস-সালাম)।— الترجمة البنغالية للمختصر في تفسير القرآن الكريم