আর যাদেরকে দুর্বল করে রাখা হয়েছিল তারা, যারা অহংকার করেছিল তাদেরকে বলবে, 'প্রকৃতপক্ষে তোমরাই তো দিনরাত চক্রান্তে লিপ্ত ছিলে, যখন তোমরা আমাদেরকে নির্দেশ দিয়েছিলে যেন আমরা আল্লাহর সাথে কুফৱী করি এবং তাঁর জন্য সমকক্ষ (শির্ক) স্থাপন করি [১]।' আর যখন তারা শাস্তি দেখতে পাবে, তখন তারা অনুতাপ গোপন রাখবে এবং যারা কুফরী করেছে আমরা তাদের গলায় শৃঙ্খল পরাব। তারা যা করত তাদেরকে কেবল তারই প্রতিফল দেয়া হবে।
[১] অন্যকথায় এ জনতার জবাব হবে, তোমরা এ দায়িত্বের ক্ষেত্রে আমাদেরকে সমান অংশীদার করছ, কেমন করে? তোমাদের কি মনে আছে, তোমরা চালবাজী, প্রতারণা ও মিথ্যা প্রচারণার কেমন মোহময় যাদু সৃষ্টি করে রেখেছিলে এবং রাতদিন আল্লাহর বান্দাদেরকে নিজেদের ফাঁদে আটকাবার জন্য কেমন সব পদক্ষেপ নিয়েছিলে? তোমরা আমাদের সামনে দুনিয়া পেশ করেছিলে এবং আমরা তার জন্য জান দিয়ে দিলাম, ব্যাপারতো মাত্র এতটুকুই ছিল না বরং তোমরা রাতদিনের প্রতারণা ও চালাকির মাধ্যমে আমাদেরকে বেকুব বানাচ্ছিলে এবং তোমাদের প্রত্যেক শিকারী প্রতিদিন একটি নতুন জাল তৈরী করে নানা ছলচাতুরী ও কলা-কৌশলের মাধ্যমে আল্লাহর বান্দাদেরকে তাতে ফাঁসিয়ে দিচ্ছিল, এটাও ছিল বাস্তব ঘটনা। কুরআনের বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন পদ্ধতিতে নেতাদের এই বিবাদের উল্লেখ করা হয়েছে। বিস্তারিত জানার জন্য নিম্নোক্ত স্থানগুলো দেখুন, সূরা আল-আরাফ, ৩৮-৩৯ সূরা ইবরাহীম, ২১; আল কাসাস, ৬৩; আল মুমিন, ৪৭-৪৮ এবং হা মীম আস্‌ সাজদাহ, ২৯ আয়াত।
— الترجمة البنغالية
৩৩. দুর্বল আনুসারীরা হক থেকে অহঙ্কার প্রদর্শনকারী নেতাদেরকে বলবে: বরং তোমরা আমাদেরকে দিন ও রাতভর প্রতারণা করে আল্লাহর সাথে কুফরি ও তাঁকে বাদ দিয়ে সৃষ্টির এবাদতের নির্দেশ প্রদানের মাধ্যমে বারণ করেছ। আর দুনিয়াতে কুফরির বিনিময়ে শাস্তি প্রদর্শন ও তারা শাস্তিপ্রাপ্ত হবে একথা জানার পর তারা অপমানকে ঢেকে রাখবে। আর দুনিয়াতে আল্লাহকে বাদ দিয়ে অন্যের ইবাদাত করা ও পাপাচারে লিপ্ত হওয়ার কারণে আমি কাফিরদের ঘাড়ে শৃঙ্খল চাপিয়ে দিব।
— الترجمة البنغالية للمختصر في تفسير القرآن الكريم