سورة عبس

الترجمة البنغالية للمختصر في تفسير القرآن الكريم

الترجمة البنغالية للمختصر في تفسير القرآن الكريم থেকে البنغالية ভাষায় সূরা ‘আবাসা এর অনুবাদ

الترجمة البنغالية للمختصر في تفسير القرآن الكريم

Verse 1
১. রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ভ্রƒ কুঞ্চিত করলেন এবং মুখ ফিরিয়ে নিলেন।
Verse 2
২. এ জন্য যে, অন্ধ আব্দুল্লাহ ইবনু উম্মে মাকত‚ম তাঁর নিকট এমন সময় হেদায়তের পথ খুঁজতে এসেছেন যখন তিনি মুশরিকদের বড় নেতাদের হেদায়তের আশায় তাদেরকে নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন।
Verse 3
৩. হে রাসূল! আপনি কি জানেন, এ অন্ধ লোকটিই নিজ পাপ থেকে পরিচ্ছন্ন হবে?!
Verse 4
৪. কিংবা যে সব উপদেশ শ্রবণ করবে তদ্বারা উপদেশ গ্রহণ করে উপকৃত হবে।
Verse 5
৫. পক্ষান্তরে যে ব্যক্তি তার নিকট থাকা সম্পদের কারণে আপনার আনিত ঈমান থেকে নিজেকে অমুখাপেক্ষী করেছে।
Verse 6
৬. আপনি সে দিকে মুখ করে তার পানে অগ্রসর হচ্ছেন।
Verse 7
৭. সে যদি আল্লাহর নিকট তাওবা করে পরিচ্ছন্ন না হয় তাহলে আপনার কী ক্ষতিই বা হবে।
Verse 8
৮. পক্ষান্তরে যে ব্যক্তি আপনার নিকট কল্যাণের অনুসন্ধান নিয়ে দৌড়ে আসলো।
Verse 9
৯. এমতাবস্থায় যে, সে নিজ প্রতিপালককে ভয় করে।
Verse 10
১০. আপনি তাকে বাদ দিয়ে মুশরিক নেতাদেরকে নিয়ে ব্যতিব্যস্ত হয়ে গেলেন।
Verse 11
১১. বস্তুতঃ ব্যাপারটি তেমন নয়। বরং এটি হলো যে গ্রহণ করে তার উদ্দেশ্যে উপদেশ ও সতর্কবাণী।
Verse 12
১২. তাই যে আল্লাহকে স্মরণ করতে চায় সে যেন তাঁকে স্মরণ করে এবং এ কুরআন দ্বারা যেন উপদেশ গ্রহণ করে।
Verse 13
১৩. কেননা, এ কুরাআন ফিরিশতাদের নিকট সম্মানিত পুস্তিকায় রক্ষিত রয়েছে।
Verse 14
১৪. যা সুউচ্চ স্থানে উত্থিত ও পবিত্রাবস্থায় রয়েছে। যাকে অপবিত্রতা কিংবা কলুষতা স্পর্শ করে না।
Verse 15
১৫. যা রয়েছে ফিরিশতাদের মধ্যকার বার্তাবাহকদের হাতে।
Verse 16
১৬. যারা স্বীয় প্রতিপালকের নিকট সম্মানিত এবং প্রচুর কল্যাণকর ও আনুগত্যপূর্ণ কাজ সম্পাদনকারী।
Verse 17
১৭. কাফির প্রকৃতির মানুষকে অভিশাপ করা হয়েছে। সে আল্লাহর সাথে কতোই না শক্ত কুফরী করেছে!
Verse 18
১৮. আল্লাহ তাকে এমন কোন্ বস্তু দ্বারা সৃষ্টি করলেন, যে সে যমীনে অহঙ্কার প্রদর্শন করবে এবং তাঁর সাথে কুফরী করবে?!
Verse 19
১৯. তাকে তো তিনি সামান্য পানি থেকে সৃষ্টি করেছেন এবং তার আকৃতিকে এক পর্যায় থেকে অন্য পর্যায়ে পরিবর্তন করেছেন।
Verse 20
২০. অতঃপর তিনি এ সব পর্যায় পার করিয়ে তার জন্য নিজ মায়ের গর্ভ থেকে ভুমিষ্ঠ হওয়ার কাজ সহজ করেছেন।
Verse 21
২১. এরপর তার জন্য দুনিয়ার আয়ু নির্ণয় করে তাকে মৃত্যু দিয়েছেন এবং তার উদ্দেশ্যে কবর নির্ধারণ করেছেন। সে তথায় পুনরুত্থানের পূর্ব পর্যন্ত অবস্থান করবে।
Verse 22
২২. অতঃপর যখন তিনি চাইবেন তাকে হিসাব ও প্রতিদানের উদ্দেশ্যে পুনরুত্থিত করবেন।
২৩. বিষয়টি এ কাফির যেমন ধারণা করেছে সেরূপ নয় যে, সে তার উপর থাকা নিজ প্রতিপালকের অধিকার আদায় করে ফেলেছে। বরং তিনি তার উপর যা অপরিহার্য করেছেন সে তাও আদায় করতে ব্যর্থ হয়েছে।
Verse 24
২৪. কাফির যেন তার আহার্যের প্রতি লক্ষ্য করে, সে তা কীভাবে উপার্জন করলো?!
Verse 25
২৫. এর মূল উৎস হলো আসমান থেকে মুষলধারে অবতীর্ণ বৃষ্টি।
Verse 26
২৬. অতঃপর আমি যমীনকে বিদীর্ণ করে তা থেকে উদ্ভিদ উৎপন্ন করলাম।
Verse 27
২৭. আমি তাতে উদ্গত করলাম গম, ভুট্টা প্রভৃতি শস্যাদি।
Verse 28
২৮. আরো উদ্গত করলাম আঙ্গুর এবং তাদের পশুর খাদ্য স্বরূপ তাজা ঘাস।
Verse 29
২৯. আমি তাতে আরো উৎপন্ন করলাম জলপাই ও খেজুর।
Verse 30
৩০. ঘন বৃক্ষ বিশিষ্ট উদ্যানসমূহ।
Verse 31
৩১. আরো উৎপন্ন করলাম ফলমূল ও তাদের পশুখাদ্য।
Verse 32
৩২. তাদের ও তাদের পশুগুলোর উপভোগের নিমিত্তে।
Verse 33
৩৩. অতঃপর যখন শ্রবণশক্তি হরণকারী দ্বিতীয় শিঙ্গাধ্বনি এসে পড়বে।
৩৪. সে দিন নিজ ভাই তার ভাই থেকে পলায়ন করবে।
Verse 35
৩৫. তেমনিভাবে তার মাতা-পিতা থেকে।
Verse 36
৩৬. তার স্ত্রী-সন্তান থেকে।
৩৭. সে দিনের গুরুতর অবস্থার দরুন প্রত্যেকে অন্যদের কথা বাদ দিয়ে নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়বে।
Verse 38
৩৮. সে দিন সৌভাগ্যবানদের চেহারা হবে সমুজ্জ্ব¡ল।
Verse 39
৩৯. আল্লাহ তাদের উদ্দেশ্যে যে সব রহমত প্রস্তুত রেখেছেন এর ফলে সহাস্য ও প্রফুল্ল।
Verse 40
৪০. পক্ষান্তরে হতভাগাদের চেহারা সে দিন হবে ধূলায় ধূসরিত।
Verse 41
৪১. সেগুলোকে কালিমা অচ্ছন্ন করবে।
Verse 42
৪২. উপরোক্ত অবস্থা হবে তাদের যারা কুফরী ও পাপাচারে লিপ্ত থাকবে।
تقدم القراءة