তোমাদের উপর লড়াই করাকে লিখে দেয়া হয়েছে যদিও তোমাদের নিকট এটা অপ্রিয়। কিন্তু তোমরা যা অপছন্দ কর হতে পারে তা তোমাদের জন্য কল্যাণকর এবং যা ভালবাস হতে পারে তা তোমাদের জন্য অকল্যাণকর। আর আল্লাহ্ জানেন তোমরা জান না [১]।
____________________
[১] আয়াতের মর্ম হলো, “যদিও জিহাদ স্বাভাবিকভাবে বোঝা বলে মনে হয়, কিন্তু স্মরণ রেখো, মানুষের বিচক্ষণতা, বুদ্ধি-বিবেচনা ও চেষ্টা পরিণামে অনেক সময় অকৃতকার্য হয়। ভালকে মন্দ এবং মন্দকে ভাল মনে করা বিজ্ঞ ও বড় বুদ্ধিমানের পক্ষেও আশ্চর্যের কিছু নয়। প্রতিটি মানুষই তার জীবনের যাবতীয় ঘটনার প্রতি লক্ষ্য করলে বুঝতে পারবে যে, তার জীবনেই অনেক ঘটনা রয়েছে, যাতে সে কোন কাজকে অত্যন্ত লাভজনক ও উপকারী মনে করেছিল, কিন্তু পরিণামে তা অত্যন্ত অনিষ্টকর হয়েছে। অথবা কোন বস্তুকে অত্যন্ত ক্ষতিকর মনে করেছিল এবং তা থেকে দূরে সরে ছিল, কিন্তু পরিণামে দেখা গেল, তা অত্যন্ত লাভজনক ও উপকারী ছিল। তাই বলা হয়েছেঃ জিহাদ যদিও আপাতঃদৃষ্টিতে জান ও মালের ক্ষতির আশংকা মনে হয়, কিন্তু যখন পরিণাম সামনে আসবে, তখন বোঝা যাবে যে, এ ক্ষতি বাস্তবে মোটেও ক্ষতি ছিল না; বরং সোজাসুজি লাভ, উপকার এবং চিরস্থায়ী শান্তির ব্যবস্থা ছিল। [মা'আরিফুল কুরআন]
____________________
[১] আয়াতের মর্ম হলো, “যদিও জিহাদ স্বাভাবিকভাবে বোঝা বলে মনে হয়, কিন্তু স্মরণ রেখো, মানুষের বিচক্ষণতা, বুদ্ধি-বিবেচনা ও চেষ্টা পরিণামে অনেক সময় অকৃতকার্য হয়। ভালকে মন্দ এবং মন্দকে ভাল মনে করা বিজ্ঞ ও বড় বুদ্ধিমানের পক্ষেও আশ্চর্যের কিছু নয়। প্রতিটি মানুষই তার জীবনের যাবতীয় ঘটনার প্রতি লক্ষ্য করলে বুঝতে পারবে যে, তার জীবনেই অনেক ঘটনা রয়েছে, যাতে সে কোন কাজকে অত্যন্ত লাভজনক ও উপকারী মনে করেছিল, কিন্তু পরিণামে তা অত্যন্ত অনিষ্টকর হয়েছে। অথবা কোন বস্তুকে অত্যন্ত ক্ষতিকর মনে করেছিল এবং তা থেকে দূরে সরে ছিল, কিন্তু পরিণামে দেখা গেল, তা অত্যন্ত লাভজনক ও উপকারী ছিল। তাই বলা হয়েছেঃ জিহাদ যদিও আপাতঃদৃষ্টিতে জান ও মালের ক্ষতির আশংকা মনে হয়, কিন্তু যখন পরিণাম সামনে আসবে, তখন বোঝা যাবে যে, এ ক্ষতি বাস্তবে মোটেও ক্ষতি ছিল না; বরং সোজাসুজি লাভ, উপকার এবং চিরস্থায়ী শান্তির ব্যবস্থা ছিল। [মা'আরিফুল কুরআন]
الترجمة البنغالية
২১৬. হে মু’মিনরা! তোমাদের উপর ফরয করা হয়েছে আল্লাহর পথে যুদ্ধ করা। সেটি স্বভাবতঃ তোমাদের মনের বিরুদ্ধে। কারণ, তাতে রয়েছে জীবন ও সম্পদহানীর আশঙ্কা এবং তা অকাতরে ব্যয় করা। বস্তুতঃ তোমরা যা অপছন্দ করছো তা কিন্তু তোমাদের জন্য বাস্তবে অতি লাভজনক ও খুবই উত্তম। যেমন: আল্লাহর পথে যুদ্ধ করা। এতে প্রচুর সাওয়াবের পাশাপাশি শত্রæ পক্ষের উপর বিজয় এবং আল্লাহর বাণীকে সুউচ্চ করার ব্যাপারটি অবশ্যই রয়েছে। তেমনিভাবে তোমরা যা পছন্দ করছো তা কিন্তু বাস্তবে তোমাদের জন্য অতি নিকৃষ্ট ও বিপদের কারণ হিসেবে দেখা দিতে পারে। যেমন: আল্লাহর পথে জিহাদ না করে ঘরে বসে থাকা। কারণ, তাতে লাঞ্ছনার পাশাপাশি শত্রæ পক্ষের প্রতিপত্তিও রয়েছে। বস্তুতঃ আল্লাহ তা‘আলাই পরিপূর্ণভাবে জানেন, কোন জিনিসটি আমাদের জন্য অতি লাভজনক এবং কোন জিনিসটি আমাদের জন্য অতি ক্ষতিকর। তোমরা কিন্তু তা জানো না। তাই তাঁরই আদেশ মান্য করো। তাতেই তোমাদের জন্য অনেক কল্যাণ রয়েছে।
الترجمة البنغالية للمختصر في تفسير القرآن الكريم