ترجمة معاني سورة الرحمن باللغة البنغالية من كتاب الترجمة البنغالية للمختصر في تفسير القرآن الكريم

الترجمة البنغالية للمختصر في تفسير القرآن الكريم

آية رقم 1
১. দয়াময় যিনি প্রশস্ত দয়ার অধিকারী।
آية رقم 2
২. তিনি মানুষকে কুরআন মুখস্থকরণ ও এর অর্থ অনুধাবন সহজ করে দিয়ে এর শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেছেন।
آية رقم 3
৩. তিনি মানুষকে পূর্ণাঙ্গ রূপে ও অতি সুন্দর সৌষ্ঠবে সৃষ্টি করেছেন।
آية رقم 4
৪. তিনি তাকে উচ্চারণ ও লিখার মাধ্যমে মনের ভাব প্রকাশ করার পদ্ধতি শিক্ষা দিয়েছেন।
آية رقم 5
৫. তিনি সূর্য ও চন্দ্রকে নির্ধারণ করেছেন। এরা নিপুণভাবে পরিচালিত হয়। যাতে মানুষ বছরের সংখ্যা ও হিসাব জানতে পারে।
آية رقم 6
৬. কাÐহীন তৃণলতা ও বৃক্ষরাজি উভয়ই মহান আল্লাহর উদ্দেশ্যে অনুগত ও অবনমিত হয়ে সাজদা করে।
آية رقم 7
৭. তিনি আসমানকে যমীনের উপর তার ছাদস্বরূপ উত্থিত করেছেন। আর যমীনে ন্যায় বিচার স্থাপন করেছেন এবং বান্দাদেরকে এ ব্যাপারে নির্দেশও দিয়েছেন।
آية رقم 8
৮. তিনি ন্যায় বিচার স্থাপন করেছেন এ জন্য যে, যাতে করে হে লোক সমাজ! তোমরা অবিচার না করো। আর যাতে ওজন ও মাপে তোমরা খিয়ানত না করো।
آية رقم 9
৯. তোমরা অন্যদের উদ্দেশ্যে ওজন ও মাপের সময় নিজেদের মাঝে ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করো। আর ওজন কিংবা মাপে কম করো না।
آية رقم 10
১০. তিনি মাটিকে এর উপর সৃষ্টির স্থিরতার লক্ষ্যে স্থাপন করেছেন।
آية رقم 11
১১. তাতে রয়েছে ফলদায়ক বৃক্ষরাজি এবং শাখা বিশিষ্ট খেজুর বৃক্ষ। যাতে খেজুর ফল ধরে।
آية رقم 12
১২. তাতে আরো রয়েছে রেণু বিশিষ্ট শস্য যথা গম ও জব। তাতে আরো রয়েছে সুগন্ধিযুক্ত তৃণলতা।
آية رقم 13
১৩. তবে হে জিন ও মানব জাতি! তোমরা নিজেদের রবের পক্ষ থেকে প্রাপ্ত পর্যাপ্ত নিআমতের কোন্ কোন্ নিয়ামতকে অস্বীকার করবে?!
آية رقم 14
১৪. তিনি আদম (আলাইহিস-সালাম) কে পোড়া মাটি সদৃশ ঠনঠনে শুষ্ক মাটি থেকে সৃষ্টি করেছেন।
آية رقم 15
১৫. আর জিনদের পিতাকে ধুঁয়ামুক্ত লেলিহান শিখা থেকে সৃষ্টি করেছেন।
آية رقم 16
১৬. তবে হে জিন ও মানব জাতি! তোমরা নিজেদের রবের পক্ষ থেকে প্রাপ্ত পর্যাপ্ত নিআমতের কোন্ কোন্ নিয়ামতকে অস্বীকার করবে?
آية رقم 17
১৭. তিনি শীত ও গ্রীষ্মে সূর্যের উভয় উদয়াচল ও উভয় অস্তাচলের রব।
آية رقم 18
১৮. তবে হে জিন ও মানব জাতি! তোমরা নিজেদের রবের পক্ষ থেকে প্রাপ্ত পর্যাপ্ত নিআমতের কোন্ কোন্ নিয়ামতকে অস্বীকার করবে?!
آية رقم 19
১৯. আল্লাহ মিঠা ও লোনা উভয় সমুদ্রকে বাহ্যত মিলিয়ে দিয়েছেন ।
آية رقم 20
২০. এতদুভয়ের মাঝে এমন পর্দা রয়েছে যা পরস্পর মিশে যাওয়ার পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। ফলে পানির মিঠা অংশ মিঠা এবং লোনা অংশ লোনাই থেকে যায়।
آية رقم 21
২১. তবে হে জিন ও মানব জাতি! তোমরা নিজেদের রবের পক্ষ থেকে প্রাপ্ত পর্যাপ্ত নিআমতের কোন্ কোন্ নিয়ামতকে অস্বীকার করবে?!
آية رقم 22
২২. সমুদ্রের মধ্য থেকে ছোট ও বড় মুক্তা উৎপন্ন হয়।
آية رقم 23
২৩. তবে হে জিন ও মানব জাতি! তোমরা নিজেদের রবের পক্ষ থেকে প্রাপ্ত পর্যাপ্ত নিআমতের কোন্ কোন্ নিয়ামতকে অস্বীকার করবে?!
آية رقم 24
২৪. সাগরের গর্ভে পাহাড়ের মত চলন্ত জাহাজের কর্তৃত্ব এককভাবে তাঁর।
آية رقم 25
২৫. তবে হে জিন ও মানব জাতি! তোমরা নিজেদের রবের পক্ষ থেকে প্রাপ্ত পর্যাপ্ত নিআমতের কোন্ কোন্ নিয়ামতকে অস্বীকার করবে?!
آية رقم 26
২৬. ভূপৃষ্ঠে যতো সৃষ্টিকুল রয়েছে তা অবশ্যই ধ্বংসশীল।
آية رقم 27
২৭. হে রাসূল! কেবল আপনার রবের চেহারাই অবশিষ্ট থাকবে। যিনি নিজ বান্দাদের উপর মহা অনুকম্পা ও অনুগ্রহ প্রদর্শনকারী। ফলে তাঁকে আদৗ কোন ধ্বংসই পাবে না।
آية رقم 28
২৮. তবে হে জিন ও মানব জাতি! তোমরা নিজেদের রবের পক্ষ থেকে প্রাপ্ত পর্যাপ্ত নিআমতের কোন্ কোন্ নিয়ামতকে অস্বীকার করবে?!
২৯. তাঁর নিকট আসমানের প্রত্যেক ফিরিশতা এবং যমীনের সকল জিন ও ইনসান তাদের প্রয়োজন ভিক্ষা চায়। গোটা দিনভর তিনি বান্দাদের জীবন, মরণ, রিযিক কিংবা অন্য কিছু নিয়ে ব্যস্ত থাকেন।
آية رقم 30
৩০. তবে হে জিন ও মানব জাতি! তোমরা নিজেদের রবের পক্ষ থেকে প্রাপ্ত পর্যাপ্ত নিআমতের কোন্ কোন্ নিয়ামতকে অস্বীকার করবে?!
آية رقم 31
৩১. হে মানব ও দানব! অচিরেই আমি তোমাদের হিসাবের জন্য মনোযোগী হবো। ফলে প্রত্যেককে তার পাওনা অনুযায়ী পুণ্য কিংবা শাস্তি প্রদান করা হবে।
آية رقم 32
৩২. তবে হে জিন ও মানব জাতি! তোমরা নিজেদের রবের পক্ষ থেকে প্রাপ্ত পর্যাপ্ত নিআমতের কোন্ কোন্ নিয়ামতকে অস্বীকার করবে?!
৩৩. আল্লাহ কিয়ামত দিবসে মানব ও দানবকে সমবেত করে বলবেন: হে মানব ও দানবরা! তোমরা যদি আসমান ও যমীনের কোন কোণ থেকে বেরিয়ে পড়ার পথ পাও তাহলে বেরিয়ে পড়ো। কিন্তু তোমরা শক্তি ও প্রমাণ ছাড়া আদৗ তা করতে পারবে না। আর এটি তোমরা পাবে কোথায়?
آية رقم 34
৩৪. তবে হে জিন ও মানব জাতি! তোমরা নিজেদের রবের পক্ষ থেকে প্রাপ্ত পর্যাপ্ত নিআমতের কোন্ কোন্ নিয়ামতকে অস্বীকার করবে?!
آية رقم 35
৩৫. হে মানব ও দানব! তোমাদের উপর ধুঁয়া বিহীন আগুনের লেলিহান শিখা প্রেরণ করা হবে। আর প্রেরণ করা হবে শিখা বিহীন ধুঁয়া। ফলে তোমরা তা প্রতিরোধ করতে পারবে না।
آية رقم 36
৩৬. তবে হে জিন ও মানব জাতি! তোমরা নিজেদের রবের পক্ষ থেকে প্রাপ্ত পর্যাপ্ত নিআমতের কোন্ কোন্ নিয়ামতকে অস্বীকার করবে?!
آية رقم 37
৩৭. যখন ফিরিশতাগণের অবতরণের উদ্দেশ্যে আসমান এমনভাবে বিদীর্ণ হবে যেন তা তেলের ঝলকের মতো লাল।
آية رقم 38
৩৮. তবে হে জিন ও মানব জাতি! তোমরা নিজেদের রবের পক্ষ থেকে প্রাপ্ত পর্যাপ্ত নিআমতের কোন্ কোন্ নিয়ামতকে অস্বীকার করবে?!
آية رقم 39
৩৯. এই মহা ভয়ানক দিনে কোন মানব ও দানবকে তাদের পাপ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হবে না। যেহেতু আল্লাহ তাদের আমল সম্পর্কে অবগত।
آية رقم 40
৪০. তবে হে জিন ও মানব জাতি! তোমরা নিজেদের রবের পক্ষ থেকে প্রাপ্ত পর্যাপ্ত নিআমতের কোন্ কোন্ নিয়ামতকে অস্বীকার করবে?!
آية رقم 41
৪১. কিয়ামত দিবসে অপরাধীদেরকে তাদের চিহ্ন দ্বারা চেনা যাবে। তা হবে চেহারার কালো রং ও চোখের নীল রং। ফলে তাদের কপালকে পায়ের সাথে বেঁধে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে।
آية رقم 42
৪২. তবে হে জিন ও মানব জাতি! তোমরা নিজেদের রবের পক্ষ থেকে প্রাপ্ত পর্যাপ্ত নিআমতের কোন্ কোন্ নিয়ামতকে অস্বীকার করবে?!
آية رقم 43
৪৩. তাদেরকে ধমক দিয়ে বলা হবে, এই সেই জাহান্নাম যেটির প্রতি অপরাধীরা দুনিয়াতে মিথ্যারোপ করতো। তারা চোখের সামনেই তা দেখতে পাচ্ছে; তারা আজ সেটিকে কোনভাবেই অবিশ্বাস করতে পারবে না।
آية رقم 44
৪৪. তারা সেটির মাঝে ও কঠিন ফুটন্ত পানির মাঝে ঘুরপাক খাবে।
آية رقم 45
৪৫. তবে হে জিন ও মানব জাতি! তোমরা নিজেদের রবের পক্ষ থেকে প্রাপ্ত পর্যাপ্ত নিআমতের কোন্ কোন্ নিয়ামতকে অস্বীকার করবে?!
آية رقم 46
৪৬. যে ব্যক্তি পরকালে স্বীয় রবের সামনে দÐায়মান হওয়াকে ভয় করে ঈমান এনে নেক আমল করে তার জন্য রয়েছে দ’ুটি জান্নাত।
آية رقم 47
৪৭. তবে হে জিন ও মানব জাতি! তোমরা নিজেদের রবের পক্ষ থেকে প্রাপ্ত পর্যাপ্ত নিআমতের কোন্ কোন্ নিয়ামতকে অস্বীকার করবে?!
آية رقم 48
৪৮. এ দু’টি জান্নাত বহু তরতাজা ডালপালা ও ফলবিশিষ্ট।
آية رقم 49
৪৯. তবে হে জিন ও মানব জাতি! তোমরা নিজেদের রবের পক্ষ থেকে প্রাপ্ত পর্যাপ্ত নিআমতের কোন্ কোন্ নিয়ামতকে অস্বীকার করবে?!
آية رقم 50
৫০. উভয় জান্নাতে রয়েছে প্রবাহমান পানিবিশিষ্ট দু’টি ঝর্না।
آية رقم 51
৫১. তবে হে জিন ও মানব জাতি! তোমরা নিজেদের রবের পক্ষ থেকে প্রাপ্ত পর্যাপ্ত নিআমতের কোন্ কোন্ নিয়ামতকে অস্বীকার করবে?!
آية رقم 52
৫২. তথায় সর্ব প্রকার ফলমূল থেকে দু’ ধরনের ফল রয়েছে।
آية رقم 53
৫৩. তবে হে জিন ও মানব জাতি! তোমরা নিজেদের রবের পক্ষ থেকে প্রাপ্ত পর্যাপ্ত নিআমতের কোন্ কোন্ নিয়ামতকে অস্বীকার করবে?!
৫৪. তারা বিছানায় হেলান দিয়ে অবস্থান করবে। যার ভেতর হবে মোটা রেশম দ্বারা তৈরী। আর উভয় জান্নাত থেকে যে সব ফল-ফলাদি আহরণ করা হবে তা এতো নিকটবর্তী হবে যে, দÐায়মান অবস্থায়, উপবেশন করে ও হেলান দিয়ে ভক্ষণ করা যাবে।
آية رقم 55
৫৫. তবে হে জিন ও মানব জাতি! তোমরা নিজেদের রবের পক্ষ থেকে প্রাপ্ত পর্যাপ্ত নিআমতের কোন্ কোন্ নিয়ামতকে অস্বীকার করবে?!
৫৬. তথায় এমন নারীরা রয়েছে যাদের চক্ষু কেবল নিজেদের স্বামীদের প্রতিই সীমাবদ্ধ। তাদের সতীত্ব নিজেদের স্বামীর পূর্বে কোন জিন ও মানুষ স্পর্শ করে নি।
آية رقم 57
৫৭. তবে হে জিন ও মানব জাতি! তোমরা নিজেদের রবের পক্ষ থেকে প্রাপ্ত পর্যাপ্ত নিআমতের কোন্ কোন্ নিয়ামতকে অস্বীকার করবে?!
آية رقم 58
৫৮. সৌন্দর্য ও পরিচ্ছন্নতায় তারা যেন মণি-মুক্তা।
آية رقم 59
৫৯. তবে হে জিন ও মানব জাতি! তোমরা নিজেদের রবের পক্ষ থেকে প্রাপ্ত পর্যাপ্ত নিআমতের কোন্ কোন্ নিয়ামতকে অস্বীকার করবে?!
آية رقم 60
৬০. যে ব্যক্তি সুন্দরভাবে স্বীয় রবের আনুগত্য করে তার প্রতিদান এটি ব্যতীত আর কী হতে পারে যে, আল্লাহ তাকে ভালো প্রতিদান দিবেন।
آية رقم 61
৬১. তবে হে জিন ও মানব জাতি! তোমরা নিজেদের রবের পক্ষ থেকে প্রাপ্ত পর্যাপ্ত নিআমতের কোন্ কোন্ নিয়ামতকে অস্বীকার করবে?!
آية رقم 62
৬২. উল্লেখিত এ দু’টি জান্নাত ব্যতীত আরো দু’টি জান্নাত রয়েছে।
آية رقم 63
৬৩. তবে হে জিন ও মানব জাতি! তোমরা নিজেদের রবের পক্ষ থেকে প্রাপ্ত পর্যাপ্ত নিআমতের কোন্ কোন্ নিয়ামতকে অস্বীকার করবে?!
آية رقم 64
৬৪. যেগুলোর সজীবতা অতি প্রখর।
آية رقم 65
৬৫. তবে হে জিন ও মানব জাতি! তোমরা নিজেদের রবের পক্ষ থেকে প্রাপ্ত পর্যাপ্ত নিআমতের কোন্ কোন্ নিয়ামতকে অস্বীকার করবে?!
آية رقم 66
৬৬. এ দু’টি জান্নাতে রয়েছে অতি বেগবান পানির দু’টি ঝর্না। যেগুলোর পানির গতি কখনো বন্ধ হবে না।
آية رقم 67
৬৭. তবে হে জিন ও মানব জাতি! তোমরা নিজেদের রবের পক্ষ থেকে প্রাপ্ত পর্যাপ্ত নিআমতের কোন্ কোন্ নিয়ামতকে অস্বীকার করবে?!
آية رقم 68
৬৮. এ উভয় জান্নাতে রয়েছে প্রচুর ফলমূল, প্রকাÐ খেজুর বৃক্ষ ও ডালিম।
آية رقم 69
৬৯. তবে হে জিন ও মানব জাতি! তোমরা নিজেদের রবের পক্ষ থেকে প্রাপ্ত পর্যাপ্ত নিআমতের কোন্ কোন্ নিয়ামতকে অস্বীকার করবে?!
آية رقم 70
৭০. উক্ত জান্নাতসমূহে রয়েছে উত্তম চরিত্র ও সুন্দর চেহারা বিশিষ্ট রমণীরা।
آية رقم 71
৭১. তবে হে জিন ও মানব জাতি! তোমরা নিজেদের রবের পক্ষ থেকে প্রাপ্ত পর্যাপ্ত নিআমতের কোন্ কোন্ নিয়ামতকে অস্বীকার করবে?!
آية رقم 72
৭২. সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে হুররা তাবুসমূহে লুক্কায়িত রয়েছে।
آية رقم 73
৭৩. তবে হে জিন ও মানব জাতি! তোমরা নিজেদের রবের পক্ষ থেকে প্রাপ্ত পর্যাপ্ত নিআমতের কোন্ কোন্ নিয়ামতকে অস্বীকার করবে?!
آية رقم 74
৭৪. নিজেদের স্বামীর পূর্বে কোন মানব কিংবা দানব তাদের নিকটবর্তী হয় নি।
آية رقم 75
৭৫. তবে হে জিন ও মানব জাতি! তোমরা নিজেদের রবের পক্ষ থেকে প্রাপ্ত পর্যাপ্ত নিআমতের কোন্ কোন্ নিয়ামতকে অস্বীকার করবে?!
آية رقم 76
৭৬. তারা সবুজ প্রলেপ ও সুন্দর চাদর দ্বারা বেষ্টিত গদিতে হেলান দিয়ে অবস্থান করবে।
آية رقم 77
৭৭. তবে হে জিন ও মানব জাতি! তোমরা নিজেদের রবের পক্ষ থেকে প্রাপ্ত পর্যাপ্ত নিআমতের কোন্ কোন্ নিয়ামতকে অস্বীকার করবে?!
آية رقم 78
৭৮. অতি মাহাত্ম্য ও প্রাচুর্যপূর্র্ণ আপনার রবের নাম। যিনি মহিয়ান, স্বীয় বান্দাদের প্রতি অনুগ্রহশীল ও কৃপানিধান।
تقدم القراءة